Home » কক্সবাজার » কক্সবাজার জেলায় বাতিল হচ্ছে ৬৫৭ স.প্রা.বি’র ব্যবস্থাপনা কমিটি

কক্সবাজার জেলায় বাতিল হচ্ছে ৬৫৭ স.প্রা.বি’র ব্যবস্থাপনা কমিটি

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক :: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সভাপতিসহ ১১ সদস্য বিশিষ্ট এসএমসির দায়িত্ব ও র্কতব্য নির্ধারণ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামি বুধবার থেেক এটি র্কাযকর করতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনসুত্রে জানা গেছে।
সে হিসেবে জেলার ৬৫৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল হচ্ছে শীগ্রই। তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম বলছেন, ‘আমাদের হাতে যেহেতু এখনো প্রজ্ঞাপনের চিঠি আসেনি সেহেতু বাতিল বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছেনা। তবে প্রজ্ঞাপন জারি হলে বাতিল হিসাবে ধরে নেয়া যেতে পারে। চিঠি হাতে পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

তিনি জানান, কক্সবাজারের ৬৫৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসির মেয়াদ কোন উপজেলায় ৩ বছর কোন উপজেলার স্কুল সমুহের মেয়াদ ২ থেকে আড়াই বছর হয়েছে সেহেতু বাতিলের কোন সমস্যা নেই। একদম শেষ প্রতিষ্ঠানের কমিটির মেয়াদ ও ১ বছরের বেশি হয়েছে, সুতরাং আইনগতভাবে কমিটিসমুহ বাতিলে আইনগত কোন ঝামেলা নেই। প্রজ্ঞাপন হাতে পেলেই নতুন নীতিমালা কার্যকর করার কাজ শুরু করবেন বলে তিনি জানান। বাতিলের অপেক্ষায় থাকা বিদ্যালয় কমিটির মধ্যে কক্সবাজার সদরে ১০৩টি, রামুতে ৮০টি, চকরিয়ায় ১৪৫টি, পেকুয়ায় ৫৯টি, কুতুবদিয়ায় ৫৯টি , মহেশখালীতে ৭৭টি, উখিয়ায় ৬৪টি এবং টেকনাফে ৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে।
নীতিমালায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতরি শিক্ষাগত যোগ্যতা র্সবনিম্ন স্নাতক পাস নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় মনোনীত বিদোৎসাহী সদস্যদেরও এসএসসি পাস হতে হবে। তবে অভিভাবক প্রতিনিধিসহ অন্য ক্যাটাগরির সদস্যদরে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলের এসএমসি গঠনে স্নাতক পাস সভাপতি পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে কারণ, এসএমসির ১১ সদস্যের ভোটেই সভাপতি নির্বাচিত হবেন। জানা যায়, এসএমসির সংশোধীত নীতিমালা চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়রে তৈরি করা এ সংক্রান্ত নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- ১১ সদস্য বিশিষ্ট এসএমসি গঠিত হবে। তাতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপির সুপারিশে স্কুলে অধ্যায়নরত শিক্ষর্থিীদের অভিভাবকদের মধ্য থেেক একজন বিদ্যেৎসাহী নারী ও একজন পুরুষ সদস্য মনোনয়ন দেবেন প্রধান শিক্ষক। তাদের অবশ্যই এসএসসি পাস হতে হবে। বিদ্যালয়ের জমিদাতা বা তাদের উত্তরাধিকারীদের মধ্য থেকে একজন সদস্য মনোনীত হবেন। জমিদাতারা নিজেরা প্রতিনিধি মনোনীত করতে না পারলে উপজেলা শিক্ষা কমিটি নির্ধারণ করে দেবেন।
সংশ্লিষ্ট স্কুলের নিকটর্বতী সরকার বেসরকারি হাইস্কুেলর একজন শিক্ষক কমিটির সদস্য মনোনীত হবেন। ওই হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক তা ঠিক করবেন। স্কুলের শিক্ষকদের মধ্য থেকে ১ জন শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ভোটে দুই জন নারী ও দুই জন পুরুষ সদস্য নির্বাচিত হবেন। স্কুলটি ইউনিয়ন বা পৌরসভার যে ওর্য়াডে অবস্থিত সেখানকার ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলর পদাধিকার বলে সদস্য মনোনীত হবেন। এই ১১ জনের ভোটে সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন। সভাপতিকে অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। একই স্কুলে টানা দুই বারের বেশি কোনো ব্যাক্তি সভাপতি হতে পারবেন না। কমিটির সদস্যরা সভাপতিকে লিখিতভাবে না জানিয়ে টানা ৩টি সভায় অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ বাতিল হবে। কমটিরি মেয়াদ হবে ৩ বছর। কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে কমিটি গঠনে ব্যর্থ হলে ছয় মাসের জন্য এডহক কমিটি গঠন করতে হবে। এডহক কমিটির সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজলো সহকারী শিক্ষা র্কমর্কতা।
প্রজ্ঞাপনে কমিটির দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে প্রতি বছর মে, আগস্ট ও ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে স্কুল ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের ওপর প্রতিবেদন উপজেলা বা থানা শিক্ষা র্কমর্কতার কাছে দিতে হবে এসএমসিকে। শিক্ষার্থীদরে শারীরিক শান্তি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিক শিক্ষা প্রদানে ভূমিকা রাখতে হবে। কমিটির সকল সদস্যকে প্রতি মাসের শেষে র্কম দিবসে ক্লাস শেষে অন্তত এক ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সুপারিশ শুনতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজলো শিক্ষা কমিটির কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে।
এসএমসি অনুমোদনের পরবর্তী ৩ বছর দায়িত্ব¡ পালন করবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে প্রধান শিক্ষক পরবর্তী কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেবেন। সরকারি আদেশ অমান্য, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ, আর্থিক অনিয়ম এবং যে কোনো শৃঙ্খলা পরিপন্থী কারণে এসএমসি বাতিল করে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষা র্কমর্কতা। এ প্রজ্ঞাপন জারির আগে গঠিত এসএমসি র্পূণ মেয়াদ শেষ করতে পারবে। তবে প্রজ্ঞাপনটি পাবর্ত্য ৩ জেলার জন্য প্রযোজ্য হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সাংবাদিকদের চাকরির নিশ্চয়তাসহ আইনী সুরক্ষা দেবে সরকার : তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ

It's only fair to share...000 বার্তা পরিবেশক ::  সাংবাদিকদের চাকরির নিশ্চয়তাসহ আইনী সুরক্ষা দেবে সরকার-এমন ...

error: Content is protected !!