Home » উখিয়া » উখিয়ায় বাংলা-জার্মান ট্রেনিং সেন্টারে ৩ মাস ব্যাপী ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

উখিয়ায় বাংলা-জার্মান ট্রেনিং সেন্টারে ৩ মাস ব্যাপী ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

ফারুক আহমদ, উখিয়া ::   উখিয়ায় বাংলা-জার্মান সম্প্রীতি (বিজিএস) ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে ৩ মাস ব্যাপী কারিগরি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্টান বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) অনুষ্টিত হয়েছে। SEIP প্রকল্পের আওতায় দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ফখরুল ইসলাম।

পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় ও বাংলা জার্মান সম্প্রতি সংস্থার ব্যবস্থাপনায় উদ্বোধনী অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন, বিজিএস হেড অফিসের প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক জগদীশ চন্দ্র রায়। বিজিএস আঞ্চলিক ট্রেনিং সেন্টারের ম্যানেজার মো: দিদার উদ্দিনের পরিচালনায় এ অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পিকেএসএফ এর উপ-মহাব্যবস্থাপক জিতেন্দ্র কুমার রায়।

উদ্বোধনী অনুষ্টানে বক্তরা বলেন, বেকারত্ব সমাজ ও পরিবারে একটি বিরাট অভিশাপ। তাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জণ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে। পান্যাশিয়া বিজিএস আঞ্চলিক ট্রেনিং সেন্টারের হল রুমে এ অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া সংবাদিক ফোরামের সভাপতি ফারুক আহমদ, প্রশিক্ষক ইমন সরকার, মিজানুর রহমান, আব্দুল বাতেন ও মহিলা প্রশিক্ষক নাজনিন আক্তার। প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মো: নজরুল ইসলাম ও শাহনাজ।

এ প্রসঙ্গে বিজিএস ট্রেনিং সেন্টারের ম্যনেজার মো: দিদার উদ্দিন জানান, পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের এর সহযোগিতায় বাংলা জার্মান সম্প্রীতি (বিজিএস) SEIP প্রকল্পের আওতায় ৫০ জন বেকার যুবক-যুবতীদেরকে ইলেকট্রেনিক্স এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস ও ফ্যাশন গার্মেন্টস বিষয়ে ৩ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষন শেষে দক্ষতা অর্জনকারীদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।

##############################

ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের মালামাল রাতের আধাঁরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তোলপাড়: তদন্ত কমিটি গঠিত

ফারুক আহমদ, উখিয়া ::   উখিয়ার ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে মালামাল রাতের আধাঁরে ট্রাক যোগে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক কাউকে না জানিয়ে মালামাল সরানোর ঘটনা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, পরিচালনা কমিটির সভায় এঘটনা নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে। সঠিক ঘটনা উদঘাটন করে তদন্ত ২ সপ্তাহের মধ্যে রির্পোট পেশ করার জন্য সভায় সিন্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা যায়, ভালুকিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম অতিসম্প্রতি কাউকে না জানিয়ে ট্রাক যোগে (মিনি ট্রাক) রাতের আধাঁরে বিভিন্ন মালামাল ভর্তি করে নিযে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিচালনা কমিটির সদস্যগন বলেন, এর আগেও কম দাম দিয়ে নামে মাত্র কোটেশন দেখিয়ে মালামাল ক্রয় করেছিল ওই শিক্ষক। অভিযোগে প্রকাশ, ওই দিন রাতের আধাঁরে ট্রাক ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া কি ধরণের মালামাল ও কি পরিমাণ হতে পারে তা এখনো কেউ বলতে পারেনি।

তদন্ত কমিটির আহবায়ক মো: শাহ্ আলম সওদাগরের সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা অপারপর কমিটির সদস্যরা গত মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি। আগামী রবিবার এ বিষয়ে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে।

সহকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি তদন্তাধীন বিষয়ে কিছু বলতে পারবে না বলে জানিয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

কয়েকজন অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মধ্যে সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিবীড় সর্ম্পক রয়েছে। তারা একে অপরের নিকটতম আত্মীয়।

##########################

উখিয়ায় ভেজাল ও নকল ঔষধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্টিত

ফারুক আহমদ, উখিয়া :::   নকল ভেজাল ও মেয়াদ উর্ত্তীণ ঔষধ প্রতিরোধ মূলক জনসচেতনতা মূলক সভা উখিয়ার কোর্টবাজারে অনুষ্টিত হয়েছে। ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি উখিয়া উপজেলা শাখা আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কক্সবাজার জেলা ড্রাগ সুপার পিয়াংকা দাশ গুপ্তা।

ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি উখিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে কোর্টবাজারস্থ এন আলম মার্কেটের ডিজিটাল ল্যাবের হল রুমে অনুষ্টিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন, পল্লী চিকিৎসক যথাক্রমে পালং ফার্মেসী মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব শামশুল আলম,কফিল উদ্দিন (কোর্টবাজার) আব্দুর রহিম (উখিয়া) ফরিদুল আলম (বালুখালী) আখতার কামাল (সোনার পাড়া)।

সভায় প্রধান অতিথি জেলা ড্রাগ সুপার পিয়াংকা দাশ গুপ্তা বলেন, কোন অবস্থাতে ক্ষতিকারক ভেজাল ও মেয়াদ উর্ত্তীণ ঔষধ বিক্রি দূরের কথা ফার্মেসীতে রাখা যাবে না। জীবন ক্ষতিকারক যে কোন ধরণের নকল ঔষধ ক্রয়-বিক্রয়ের বিষয়ে ফার্মেসীর মালিক ও ক্যামিষ্টদেরকে আরও সর্তক এবং সজাগ থাকতে হবে।

এ সময় উখিয়া উপজেলার বিভিন্œ ষ্টেশনের ফার্মেসীর মালিক, ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট গন উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

আমরা আবারও শাপলা চত্বরে যাব, হুমকি হেফাজত নেতার

It's only fair to share...000‘যদি মহানবীর সম্মান রক্ষা করতে না পারেন আপনাদের গদিতে আগুন দেয়া ...

error: Content is protected !!