Home » পার্বত্য জেলা » আলীকদমে লাকাচিং হত্যাকান্ডে জড়িত ৩ আসামী গ্রেফতার

আলীকদমে লাকাচিং হত্যাকান্ডে জড়িত ৩ আসামী গ্রেফতার

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

ক্যাপশন: আলীকদম থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিক উল্লাহ।

মমতাজ উদ্দিন আহমদ, আলীকদম ::

বান্দরবানের আলীকদমে অবশেষে প্রতিবন্ধী তঞ্চঙ্গ্যা যুবতী লাকাচিং হত্যাকা-ের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামীরা ‘লাকাচিং তঞ্চঙ্গ্যাকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করে গলায় গামছা পেছিয়ে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছিল’ মর্মে বলে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

শুক্রবার (১৭ মে) বিকালে আলীকদম থানায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিক উল্লাহ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও ওসি (তদন্ত) কানন চৌধুরী ও সেকেন্ড অফিসার নুর ইসলাম।

সাংবাদিকের ওসি রফিক উল্লাহ জানান, উপজেলার আমতলী এলাকার আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ছিলেন প্রতিবন্ধী যুবতী লাকাচিং তঞ্চঙ্গ্যা (৩২)। তিনি অবিবাহিত ছিলেন। তার পিতার নাম মৃত কৃত্তমন তঞ্চঙ্গ্যা। ২০১৮ সালের ২৫ নভেম্বর অসতি ত্রিপুরা পাড়ায় একটি গাছের সাথে গামছা পেছানো অবস্থায় প্রতিবন্ধী এ যুবতীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় আলীকদম থানায় অপমৃত্যু মামলা রুজু হয় (অপমৃত্যু মামলা নং- ৭ তারিখ- ২৫/১১/২০১৮)। পুলিশ লাশের ময়না তদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠায়। লাশের ময়না তদন্ত শেষে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ও ময়না তদন্তকারী ডাক্তার অংসুই প্রু মারমা ‘যৌন নির্যাতন করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে’ মর্মে মতামত প্রদান করেন।

ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যাকা-ের শিকার যুবতীর নিকটাত্মীয় ক্যনুমং তংচংগ্যা অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে গত ১৫ এপ্রিল আলীকদম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত/২০০৩) এর ৯ (৪) (ক) ধারায় একটি মামলা রুজু করেন। মামলাটির তদন্তভার পান ওসি (তদন্ত) কানন চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে ওসি রফিক উল্লাহ বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা কানন চৌধুরী বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ ধারাবাহিকতায় ঘটনা সংঘঠিত হওয়ার ছয়মাস পর মূল রহস্য উদ্ঘাটন করে ঘটনায় জড়িত আসামী ত্রিমথীয় ত্রিপুরা (২৫), জয়কুমার তঞ্চঙ্গ্যা (৩৮) ও জন ত্রিপুরা (৪৩) কে গত ১১-১৩ মে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। আসামীরা আশ্রয়ণ প্রকল্প ও অসতি ত্রিপুরা পাড়ার বাসিন্দা।

তদন্ত কর্মকর্তার দাবী, ধৃত আসামীরা পূর্ব থেকেই লাক্যচিংকে ধর্ষণ করার পরিকল্পনা করেছিল। ঘটনাটি ছিল লোমহর্ষক। প্রাথমিক অবস্থায় ঘটনার কোন তথ্য প্রমাণ ছিলো না। তদন্তকালে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা কারাগারে লাগাতার অনিয়ম-দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক

It's only fair to share...000মহসীন শেখ, কক্সবাজার ::  কক্সবাজার জেলা কারাগারে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করেছে ...

error: Content is protected !!