Home » চট্টগ্রাম » পর্যটক ও অতিথি পাখির কলরবে মুখর বাঁশখালী ইকোপার্ক

পর্যটক ও অতিথি পাখির কলরবে মুখর বাঁশখালী ইকোপার্ক

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

বাঁশখালী প্রতিনিধি ::  দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম পর্যটন স্পট বাঁশখালী ইকোপার্কে অতিথি পাখি ও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে । বিভিন্ন দূরদূরান্ত থেকে প্রতিদিন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি নানা শ্রেণির পর্যটককে বর্তমানে ভিড় জমাচ্ছে এই পার্কে । পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বনবিভাগ নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আকাঁ বাকা অসংখ্য লেক নিয়ে গঠিত দক্ষিণ চট্রগ্রামের অন্যতম পর্যটন স্পর্ট বাঁশখালী ইকোপার্কটি ২০০৩ সালে প্রতিষ্টার পর থেকে সারা দেশে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়।

বিশেষ করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির সাথে জীব- বৈচিত্র্যকে সংরক্ষন ও সমৃদ্ধ করা, জনগণের চিত্তবিনোদনের জন্য ইকো-ট্যুরিজমের সুযোগ সৃষ্টি, শিক্ষা ও গবেষনামুলক কার্যক্রমের সুযোগ- সুবিধা বৃদ্ধির জন্য তথ্য ও শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন, প্রাকৃতিক বনজ সম্পদ ও বন্যপ্রাণীসমুহের সংরক্ষনের জন্য গণসচেতনতা সৃষ্টি, জলাধার ও আশপাশ এলাকায় জলজ পাখীর আবাসস্থল সৃষ্টি, বিরল ও বিলুপ্ত প্রায় বনজ, ফলদ, ভেষজ ও শোভাবর্ধনকারি গাছের বাগান সৃজনের মাধ্যমে উদ্ভিদ প্রজাতির বৈচিত্র্য সংরক্ষন, সমুদ্রতটে ঝাউ বাগান সৃজনের মাধ্যমে চিত্ত বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও দারিদ্র বিমোচনের জন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বনায়ন সৃজন সহ বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়ে বাঁশখালী ইকোপার্কের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বেশ কয়েকবছর এ যাত্রা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি অতিথি পাখির আগমনে মুখরিত পার্ক এলাকায় সুদূর সাইবেরিয়া থেকে আগত শীতের পাখির কলকাকলি এবং বিনোদন প্রেমীদের পদভারে মুখরিত হয়ে আছে । পাশাপশি শীতে সুদূর দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকরা বাঁশখালী ইকোপার্কে এসে ভিড় জমাত। এক দিকে গান বাজনা অন্য দিকে পাখির কলতান সব মিলিয়ে বাঁশখালী ইকোপার্কে নতুন এক অবস্থা বিরাজ করছে।

বাঁশখালীর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বাঁশখালী ইকোপার্কের উন্নয়নে গ্রহণ করেন বিশেষ উদ্যোগ । এ উদ্যোগের প্রেক্ষিতে বামের ছড়া ও ডানের ছড়া এলাকায় ৪ কোটি ৮ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড । যার ফলে সরকার আগের মত পাবে রাজস্ব । অপর দিকে এই বামের ছড়ার এবং ডানের ছড়া পানির মাধ্যমে কয়েক হাজার একর জমিতে বোরো চাষ হবে এছাড়া মাটির বাঁধ ৩০ মিটার ডাব্লিউআরএস নির্মাণ দুইটি ড্লাবিউআর,এস মেরামত দুইটি, সেচ চেইন ৫০০ মিটার এবং পানি ব্যবস্থাপনা দায়িত্বশীলদের জন্য রয়েছে একটি ভবন নির্মাণ করা হয় বলে জানান বাঁশখালী উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম ভুইঁয়া।

বর্তমানে বামের ছড়া ও ডানের ছড়া দুটি লেকে পানি থাকার সুবাদে বোরো চাষের পাশাপাশি পুর্বের মত শীতের পাখির আগমন হবে এ ব্যাপারে আশাবাদি বনভিবাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। বাঁশখালী ইকোপার্কে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো:আনিসুজ্জামান শেখ বলেন আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি বিনোদন প্রেমীদের যথাযথ সুযোগ সুবিধা দেওয়া জন্য। প্রতিদিন অনেক পর্যটক আসছে আমরা চেষ্টা করছি তাদের যথাযথভাবে নিরাপত্তা ও সুযোগ সুবিধা দিতে। তাছাড়া অবকাঠামো গত উন্নয়নের অনেক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন হলে আলোকিত হবে পার্কটি ।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন বাঁশখালী ইকোপার্কটি সত্যিই বিনোদন প্রেমীদের জন্য একটি উপযুক্ত স্থান। এখানে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকরা এসে তাদের অবসর সময়টুকু শান্তিতে কাটাতে চেষ্টা করে । এমনিতে দেশের বাইরেরও বেশ কিছু পর্যটক এ পার্ক দেখতে আসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ হোস্টেলের ৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তোলপাড়!

It's only fair to share...000নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া ::  কক্সবাজারের চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের হোস্টেল সুপার ও ...

error: Content is protected !!