Home » কক্সবাজার » চকরিয়া হাসপাতাল সড়ক অসুস্থ!  রোগ সরাবে কে? কারে বুঝাবো মনের দুঃখ গো..

চকরিয়া হাসপাতাল সড়ক অসুস্থ!  রোগ সরাবে কে? কারে বুঝাবো মনের দুঃখ গো..

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

এম.আর. মাহামুদ ::চকরিয়া হাসপাতাল সড়কে ময়লা পানিতে সয়লাব। হাটতেও ইচ্ছে হয়না, দেখতেও ভাল লাগেনা। তারপরও পথ চলা থেমে নেই। শখ করে কেউ হাসপাতালে যায়না। নানা রোগে আক্রান্ত হলে সু-চিকিৎসার জন্য মানুষ হাসপাতালে যায়। যাওয়ার পথে সড়কের ময়লা পানির দৃশ্য দেখলে যে কারো বুমি আসবে। এ অস্বাস্থকর অবস্থা কেউই দেখছেনা। কার কাছে গেলে সড়কটির এমন অবস্থার পরিবর্তন হবে, তাও জানিনা। তারপরও হাসপাতালের অবস্থান যেহেতু পৌর সদরে সেই হিসেবে পৌর পিতার শুভ দৃষ্টি কামনা করা ছাড়া উপায় কি! হয়তো তিনি আন্তরিক হলে হাসপাতাল সড়কের চিরচেনা অস্বাস্থ্যকর দৃশ্যটুকু পরিবর্তন হবে। প্রতিদিন শত শত রোগী চকরিয়া হাসপাতালে যায়। হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার ও স্টাফরা এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজের জন্য সোসাইটি মসজিদে যায় শত শত মুসল্লি। জনগুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক একটি প্রতিষ্ঠানের সড়কটি এমন হলে মন্তব্য করার কিবা আছে। চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা বিশিষ্ট। বর্তমানে আরো ৫০ শয্যা বাড়ানোর জন্য একটি ভবনসহ ডাক্তার ও কর্মচারীদের ৫টি বাসা নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এ এলাকার লোকজন সু-চিকিৎসা থেকে তেমন একটা বঞ্চিত হবেনা বলে আশাকরা যায়। চকরিয়া হাসপাতাল হওয়ার পর এ সড়কের দু’পাশে অসংখ্যা ফার্মেসী (ঔষুধের দোকান) হয়েছে। এসব ফার্মেসীতে বেসুমার রোগী ঔষুধ ক্রয় করতে ভীড় জমায়। বর্ষা মৌসুমে হাসপাতাল সড়ক হয়ে সব পানি হাসপাতালের দিকে গড়িয়ে যায়। বৃষ্টির পানি কোন না কোন দিকে যাবে, যা চিরন্তন সত্য। তবে হাসপাতাল সড়কের দু’পাশের মার্কেটগুলোর ময়লাযুক্ত পানি সড়ক দিয়ে গেলে সাধারণ মানুষ বিব্রত হওয়ার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। হাসপাতালের উত্তরাংশে পানি চলাচলের একটি ড্রেইন থাকলেও তাও ভরাট হয়ে গেছে। ফলে সব সময় হাসপাতাল সড়কে ময়লাযুক্ত পানি জমাট থাকতে দেখা যায়। হাসপাতাল ও পৌরসভায় স্বাস্থ্য পরিদর্শক রয়েছে, তারা কি এসব ময়লাযুক্ত পানি দেখেনা। একটি কথা না বললে হয়না “অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকেনা” অনুরূপ অবস্থায় বেহাল হয়ে পড়েছে হাসপাতাল সড়কটি। দু’পাশের মার্কেটের মালিকেরা এসব দেখেও দেখছেনা। হয়তো তারা স্থানীয় বলে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদের সাহসও পাচ্ছেনা। উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কোন মার্কেটের ময়লার টাঙ্কি থেকে এসব ময়লাযুক্ত পানি বের হচ্ছে তার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যায়না? হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রয়েছে। কিন্তু তারাকি বিষয়টি দেখছেনা? আসল কথা হচ্ছে সমাজের অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি সরকারী বড় বড় কর্মকর্তা অসুস্থ হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়না। মোবাইল করলেই হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারেরা তাদের বাসায় গিয়ে চিকিৎসা করে আসে। সেকারণে হয়তো হাসপাতাল সড়কের দিকে কারো নজর নেই। বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী মনির খানের গানের একটি কলি বাধ্য হয়ে উল্লেখ করতে হচ্ছে- কারে বুঝাবো মনের দুঃখ গো বুক চিরিয়া……..। চকরিয়ার সাধারণ মানুষের বুক ফাটলেও মুখ ফাটছেনা। কেউ প্রতিবাদে সরব হতে দেখা যাচ্ছেনা। আল্লাহর ওয়াস্তে জনপ্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তারা একটু তৎপর হলে এই ছোট সমস্যাটি সমাধান করা কোন ব্যাপারইনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সব সাম্প্রদায়িক শক্তি এখন ধানের শীষে ভর করেছে -ওবায়দুল কাদের

It's only fair to share...32300অনলাইন ডেস্ক ::    সব সাম্প্রদায়িক শক্তি এখন ধানের শীষে ভর ...