Home » কক্সবাজার » সাংবাদিকতার সেকাল-একাল, সংবাদ তোমার উৎস কোথায়!

সাংবাদিকতার সেকাল-একাল, সংবাদ তোমার উৎস কোথায়!

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

:: এম.আর মাহামুদ ::

প্রতিদিনই দেশ বিদেশে কোন না কোন সংবাদের জন্ম হয়। এসব সংবাদ সংবাদপত্রে বা প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। আবার অনেক সংবাদ সংবাদপত্রের স্থান পায়না। কোন কোন ক্ষেত্রে মিথ্যা সংবাদে প্রকাশিত হতে দেখা যায়। এতে পাঠক বিভ্রান্ত হয় ওই সংবাদপত্র ও সাংবাদিক নিয়ে বাজে মন্তব্য করতেও অনেক পাঠক কৃপনতা করেনা। নানা কারণে ভুল সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরে কর্তৃপক্ষ ভূল স্বীকার করে পাঠকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার নজিরও কম নেই।

আমার সাংবাদিকতার হাতে খড়ি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক নয়া বাংলার লামা মহকুমার প্রতিনিধি হিসেবে। তখনও আমি ছাত্র। লেখা পড়া করতাম চট্টগ্রাম মহানগরির হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে। থাকতাম ওই কলেজের ছাত্রাবাসে। সেকারণে বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংবাদ থেকে বঞ্চিত হতাম (স্পট নিউজ)। তবে সে সময়ে লামা মহকুমার তিনটি থানা লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ির যোগাযোগ, স্বাস্থ্য সেবা, আইন শৃঙ্খলাসহ সবক্ষেত্রেই ছিল অনগ্রসর। এ অনগ্রসর জনপদে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রচুর প্রতিবেদন নয়া বাংলায় প্রকাশ করেছি। বর্ষার প্রবল বর্ষণে মাতামুহুরী নদীতে সৃষ্ট পাহাড়ী ঢলে লামা মহকুমা সদর গলা সমান পানিতে তলিয়ে যায়। জন জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। সংবাদটি নয়া বাংলার প্রথম পাতায় গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হওয়ার পর শুরু হল ত্রাণ তৎপরতা। ঘটনাটি ঘটেছিল এরশাদ জামানায়। পরিদর্শনে আসলেন একজন বড় সামরিক কর্মকর্তা। তিনি হলেন বর্তমানে আওয়ামীলীগের এমপি মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবেদ আলী ভুঁইয়া। লামা পরিদর্শনে এসে দেখলেন কোথাও বন্যার পানি নেই। তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সেই সময়ে লামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (পরে উপজেলা চেয়ারম্যান) মরহুম আলী মিয়ার কাছে জানতে চাইলেন- বন্যার পানি কোথায়? বন্যা কারে কয়? ইউপি চেয়ারম্যান আলী মিয়া মাতামুহুরী নদীর বন্যার বাস্তব অবস্থা তুলে ধরার চেস্টা করেছেন। কিন্তু ওই সামরিক কর্মকর্তা আলী মিয়ার ব্যখ্যায় সন্তুষ্ট নয়। সামরিক কায়দায় বলে বসলেন ওই সংবাদ পত্রিকায় কে পাঠিয়েছে? তখন আমি হাটু ভাঙ্গা মুরগির মত সামরিক কর্মকর্তার সামনে হাজির হয়ে বিনয়ের সাথে বললাম বন্যা হয়েছে, তবে এটা পাহাড়ি বন্যা, অতি বর্ষন হলে মাতামুহুরীর পানিতে লোকালয় তলিয়ে যায়। আর বৃষ্টি কমলে পানি নেমে যায়। এ বন্যার স্থায়ীত্ব ৬ থেকে ৭ ঘন্টার বেশি হয়না। পরে বন্যার পানির আলামত দেখাতে গিয়ে লামা মহকুমা প্রশাসক কার্যালয়ের দেয়ালে পানির চিহ্ন দেখে তিনি বিশ্বাস করলেন সত্যিই লামায় বন্যা হয়েছে। না হয় সেদিন কিযে অবস্থা হত আল্লাহ্ ভাল জানে।

চকরিয়া প্রেস ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ উপজেলার প্রথম নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান। তিনি চাঁদ পুরে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে একটি জাতীয় দৈনিক-এ সংবাদ ছাপানো হয়েছে “মেঘনায় লঞ্চ ডুবি, শতশত যাত্রি নিখোঁজ, লাশ ভাসছে”। এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হল। মহকুমা প্রশাসনের নেতৃত্বে লাশ উদ্ধারের জন্য মেঘনায় অভিযান চালানো হল। কিন্তু কোন লাশ পাওয়া গেলনা। পাওয়া গেল কয়েকশ কাঠাল। বাস্তবে ডুবে যাওয়া লঞ্চে কোন যাত্রী ছিলনা। ওঠা ছিল কাঠাল ভর্তি লঞ্চ। অনুমান নির্ভর সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে কাঠাল গুলোকেই মনে করা হয়েছিল মানুষের লাশ। সেক্ষেত্রে সত্যতা যাছাই করা হয়নি বলে একটি জাতীয় দৈনিকে বাস্তবতা বিবর্জিত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। সেকারনে সাংবাদিক ভাইয়েরা সব সময় সচেতনতার সাথে সত্যতা যাছাই করে সংবাদ প্রকাশ করবেন। কারণ, আপনাদের স্মরণ থাকা দরকার আজকের পত্রিকা আগামীকালের “লবনের টোঙ্গা”। কথাগুলো বলেছিলেন চকরিয়া উপজেলার প্রথম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান সাহেব। তিনি হয়তো এতদিন বেছে নেই। তবে ওনার কথাগুলো বার বার স্মরণ হয়। গত সোমবার রাত ৯ টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দেখা গেল, মহাসড়কের বানিয়ার ছড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত। এ সংবাদ দেখে যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মত অবস্থা। কারণ ওই সময় আমি বাড়ীতে। যদি ঘটনা সত্য হয়ে থাকে চাকুরী থাকার কথা নয়। পরে খোজ খবর নিয়ে দেখলাম, এ সংবাদের কোন সত্যতা নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংবাদ যারা দেখেছে তারা বিভ্রান্ত হয়েছে। ওই ধরণের মিথ্যা স্ট্যাটাস দেয়া ব্যক্তিকে নিয়ে নানা মন্তব্য করতেও ভুল করেনি পাঠকরা। এ ধরণের গাজাখুরি সংবাদ পরিবেশন করায় প্রকৃত সাংবাদিকদের মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করি। লামায় মহকুমায় সাংবাদিকতা করাকালীন সময় নয়া বাংলায় একটি সংবাদ প্রকাশ করে বড় বেকায়দায় পড়েছিলাম। সংবাদটি হচ্ছে “আলীকদমের দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় দুজন গরু ব্যবসায়ীকে খুন করেছিল পাহাড়ী দুর্বৃত্তরা, পরদিন এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর আলীকদম সেনানিবাসের অধিনায়ক আমাকে খুজতে শুরু করে। ওই রাতে আমি ছিলাম লামা বাজারস্থ রোকেয়া বোর্ডিংএর ৪নং কক্ষে। রাত ১২ টার দিকে দরজার কড়া নড়া শুরু করলেন, জানতে চাইলাম কে? বললেন- আমি আলী মিয়া, আমি ওঠে বললাম দাদা কি সমস্যা তিনি বললেন, তোকে নিয়ে এখনই আলীকদম সেনানিবাসে যেতে হবে। আমি ভয়ে কাতর হলেও তাদের সাথে সেনানিবাসে গেলাম। অধিনায়ক বলে বসলেন এ ধরণের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছেন কেন, জিওসি চট্টগ্রামের চাপে আমরা অতিষ্ঠ। এ সংবাদ মিথ্যা হিসেবে কালকের পত্রিকায় প্রতিবাদ ছাপাতে হবে। আমি বাধ্য হয়ে বললাম কাল নয় পরশু প্রতিবাদ ছাপিয়ে দেব। হুমকি ধমকির পরেও অধিনায়ক মহোদয় আমাকে চট্টগ্রাম যাওয়ার গাড়ীভাড়া টুকু ব্যবস্থা করে দিলেন। আল্লাহর কি রহমত পরদিন আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় দূর্গম পাহাড় থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে। তখন আমি টেলিফোনে অধিনায়ক মহোদয়কে বললাম লাশ দুটি উদ্ধার হয়েছে প্রতিবাদ ছাপাবো কিনা? তিনি বললেন ছোট ভাই তোমাকে কষ্ট দিয়েছি, অনেক হাকাবকা করেছি, ক্ষমা করে দিও। তোমার সংবাদই যথার্থ। এখন কি আর সেই জবাবদিহিতা আছে? এখন মফস্বলের সাংবাদিকেরা সাংবাদিকেতার নামে গকুলের সাঁড়ের মত ছুটেই চলছে, লাগাম টানার কেউই কি নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...23500অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...