Home » দেশ-বিদেশ » আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন, ডাক আসা মাত্র ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে -তারেক রহমান

আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন, ডাক আসা মাত্র ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে -তারেক রহমান

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

বিশেষ সংবাদদাতাঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে আন্দোলনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহনের জন্য উদাত্ত আহবান জানিয়ে বলেছেন,আপনারা স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রস্তুতি নিন।ডাক দেয়ার সময় চলে আসছে। ডাকের জন্য অপেক্ষা করুন।ডাক আসামাত্র বাংলাদেশের সাধারন মানুষকে নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।ইনশাআল্লাহ সময়মত ডাক আসবে।সেই ডাক আসা পর্যন্ত স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রস্তুতি গ্রহন করুন।কোন কিছুতে বিভ্রান্ত হবেন না। আমাদের লক্ষ্য আন্দোলনের মাধ্যমে জনগনের সরকার প্রতিস্ঠা করা।
নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এখন মুলমন্ত্র হবে-‘যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি এগিয়ে যাও তবে তুমি বাংলাদেশ’।
বিএনপির ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এই আহবান জানান। সোমবার পূর্ব লন্ডনের হাইস্ট্রীট নর্থ এর দি রয়্যাল রেজেন্সী হোটেলে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সরকার ভীতি, প্ররোচণা কিংবা কোনো প্রকারের ফাঁদে পা না দিতে নেতা-কর্মীসহ সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, মনে রাখবেন বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য ভাঙ্গার জন্য এই অবৈধ সরকার, দুষ্কৃিতকারি সরকার সকল রকমের চেষ্টা করবে।তারা খুন-গুম, নিখোঁজ করার মাধ্যমে ভয় দেখানোর চেষ্টা করবে।তারা অর্থ ঘুষ দিয়ে চেষ্টা করবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য। তারা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার জোর করে খবর চাপানোর মাধ্যমে বিভ্রান্তির চেষ্টা করবে। কাজেই সব কিছু সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে, কোন কিছুতেই বিভ্রান্ত হলে চলবে না।তিনি বলেন,
বর্তমান সরকারকে অবৈধ, অগণতান্ত্রিক এবং লুটেরা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে নতুবা সন্ত্রাসী সরকার দেশের মাটি পর্যন্ত খুলে নিয়ে বিক্রি করে দিবে।
জনগণের দেশ জনগণের কাছে ফিরিয়ে আনতে হবে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, অনেক হয়েছে, আজ এখানেই রুখে দিতে হবে। জনগণের দেশ জনগণের কাছে ফিরিয়ে আনতে হবে। এটা আমাদের দায়িত্ব।এজন্য দরকার ঐক্য। সে ঐক্য হলো সমাজের সকল স্তরের মানুষের ঐক্য। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি। লক্ষ্য একটি হলো আগামীতে আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের সরকার, যেই সরকার বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা সঠিকভাবে নির্বাচিত হবে, জণগণের মাধ্যমে গঠিত হবে এবং যে সরকার হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত, সে সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া। এজন্য স্ব স্ব অবস্থান থেকে ডাক আসা পর্যন্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া শিশু-কিশোরদের সাম্প্রতিক সড়ক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তারেক রহমান বলনে, আমরা শুধু নিরাপদ সড়ক চাইনা। নিরাপদ সড়ক আমাদের থাকবে তবে আমরা সবাই চাই নিরাপদ বাংলাদেশ।তিনি বলেন বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যেসব বিভিন্ন নেতাকর্মীরা রয়েছেন তাদের বলবো, বাংলাদেশের প্রতিটি পেশার মানুষদের বলবো, ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার, গৃহবধু, তরুণী-তরুণ, ছাত্র-ছাত্রী সবাইকে আমি বলবো- যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি এগিয়ে যাও তবে তুমি বাংলাদেশ।
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যারা বিএনপির রাজনীতি করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে লালন করেন তারা আজ এমন অবস্থায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছেন যখন আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে। যাকে দেখে কোটি কোটি মানুষ এসে বিএনপিতে ভীড়েছে, তিনি আজ কাছে নেই, কারাগারে। দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হলে মন শক্ত রাখতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকার নয়াপল্টন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, লাখো মানুষের এই সমাবেশ একটি বার্তা দিয়ে গেছে বিএনপির কাছে। তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে গেছে।
গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে দেশের অন্যান্য সংগঠনগুলোকে এক কাতারে আসার আহবান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপির পাশপাশি আরো কিছু দল জাতীয় ঐক্যর ডাক দিয়েছেন। যারা এ ঐক্যের ডাক দিয়েছেন দেশের গণতন্ত্র, সংবিধান রক্ষা, মুক্তিযুদ্ধে আপনাদের অনেক রকমের অবদান রয়েছে। দেশ আজ অপশাসনের কবলে পড়েছে। বিএনপির লাখো লাখো নেতা-কর্মী এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে গণতন্ত্র রক্ষার যে আন্দোলন তিনি শুরু করেছেন তাকে বেগবান করতে। তাদের সহযোগিতা করার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আহবান জানচ্ছি।জাতির জন্য এক বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজন মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশের জন্য প্রয়োজন বৃহত্তর এক ঐক্যের। এটা শুধু সরকার পরবির্তনের জন্য নয়। ন্যায় এবং সাম্যের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য, একটি নিরপাদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য। দেশে আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা বাংলাদেশের আদালত নয় বরং আওয়ামী লীগের আদালতে পরিণত হয়েছে। কোর্টের রায়ের আগেই দলের নেতাকর্মীরা রায় বলে দিচ্ছে। প্রধান বিচারপতিকে ধাক্কা দিয়ে দেশ থেকে বের করে দিয়েছে এই সরকার। কিছু অপ্রিয় কথা বলার কারণেই তাকে হনস্থা করা হয়েছে। তিনি এখন আমেরিকায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইছেন।
সরকার টাকা, পাথর, সোনা ডাকাতি করছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশ এভাবে চলতে পারে না।আমি একটি বৃহৎ ঐক্যের আহবান জানাবো। বাংলাদেশের প্রতিটি পেশার মানুষ, ছাত্র, গৃহবৃধু, চিকিৎসক, শ্রমিকসহ সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন এ সরকারের বিরুদ্ধে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকা গায়েব হয়েছে, ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে এটা হয়েছে।এ টাকা জনগণের টাকা। দুঃখের বিষয় সেই টাকা দিয়ে বিদেশের মাটিতে জুয়া খেলা হচ্ছে।সরকারের কাছের লোক বেসিক ব্যাংকের টাকা লুট করেছে। বিএনপির সময় কি এরকম খবর আপানারা পত্রিকায় কেউ দেখেছেন? শধু টাকা নয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে রাখা সোনা তামা হয়ে গেছে। এ সরকার দেশটাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...000অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...