Home » কক্সবাজার » পেকুয়ায় ৭ সংখ্যালঘুকে মাথা ন্যাড়া ও নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

পেকুয়ায় ৭ সংখ্যালঘুকে মাথা ন্যাড়া ও নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

পেকুয়া অফিস :
পেকুয়ায় সেই উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নুরুল আবছার বদুর বিরুদ্ধে মামলা নিল পুলিশ। মাছ চুরির অভিযোগে ২৪ আগষ্ট সন্ধ্যার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের পেছু মিয়ার খামার বাড়িতে ৭ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যকে আটক করে। এ সময় মাথা ন্যাড়া ওই ৭ জনকে অমানুসিক নির্যাতন চালায়। ঘটনার ৩ দিনের ব্যবধানে থানায় মামলা রেকর্ড হয়েছে। ২৭ আগষ্ট সোমবার পেকুয়া থানা পুলিশ এ ঘটনায় মামলা রেকর্ড করে। যার নং-১৬/১৮। মামলায় রাজাখালী ইউনিয়নের বদিউদ্দিনপাড়ার মৃত কাসিম আলীর ছেলে ও রাজাখালী ইউপির সাবেক মেম্বার নুরুল আবছার বদুকে প্রধান আসামী করে। এ ছাড়া ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে ওই মামলায় আসামী করা হয়েছে। পেকুয়া থানা পুলিশ এজাহার নামীয় ৩ আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করে। আটককৃতরা হলেন-বদিউদ্দিনপাড়ার জামাল হোসেন, আবুল কাসেম ও বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা নেপাল শীল। ঘটনার সুত্র ধরে পেকুয়ায় তোলপাড় তৈরী হয়েছে। মামলার প্রধান আসামী নুরুল আবছার বদু উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পদে অধিষ্টিত বলে দায়িত্বশীল সুত্র নিশ্চিত করেছে। বিএনপির রাজনীতির সাথে তিনি জড়িত। গত ইউপি নির্বাচনে বিএনপি দলগত ভাবে তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষনা করছিল। তবে চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় তাকে বাদ দেওয়া হয়। তিনি রাজাখালী ইউপিতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে। গত ২৪ আগস্ট রাজাখালী ইউনিয়নের পশ্চিম রাজাখালী ভোলা নদীর নিকট বেড়িবাঁধ সংলগ্ন পেচু মিয়ার খামার বাড়িতে ৭ জন জেলে সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর বিভৎস নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় নাপিত এনে জলদাস সম্প্রদায়ের ৭ সদস্যকে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। নুরুল আবছার বদু খামার বাড়ির কার্যকারক। জমিদার পরিবারের বিশাল জায়গা সম্পত্তি তিনি দেখভাল করেন। সুত্র জানায়, ওই দিন পুকুর থেকে মাছ ধরতে এ ৭ জেলেকে রাজাখালীতে নিয়ে যায় বদু মেম্বার। তারা পুকুরে জাল ফেলে। মাছ চুরির অভিযোগে এ ৭ জেলেকে আটক করে। এরপর থেমে থেমে নির্যাতনসহ মারধর করে। এক পর্যায়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় ঘোরানো হয়। নিজ ধর্মের বিরুদ্ধে কুৎসিত মন্তব্যসহ মুখ খুলতে বাধ্য করা হয়। এ সব ওই মেম্বার মুঠোফোনে ধারন করে সংখ্যালঘুর এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে দেয়। বদু মেম্বার নির্যাতন চালিয়েছেন এ খবর পেকুয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয়দের মাঝে ঘৃনা প্রকাশ পায়। তারা বদু মেম্বারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিলেন। নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা হলেন লেদু মিয়া সর্দার, গোপাল সর্দার, লিটন সর্দার, ঝুমুর সর্দার, লিটন সর্দার, অরুন সর্দার, দুলাল। এদের বাড়ি চট্রগ্রাম জেলার পটিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলায়। তারা পেশায় জেলে। ওই দিন মাছ ধরতে রাজাখালীতে আসছিলেন। মামলা রেকর্ড হয়েছে এ খবর পেকুয়ায় জানাজানি হয়। এ সময় স্থানীয়দের মাঝে আনন্দভাব দেখা দেয়। নুরুল আবছার বদু একজন আলোচিত ব্যক্তি। এক সময়ে উপকুলের দুর্ধর্ষ জলদস্যু স¤্রাট ছিলেন। তাকে বদু ডাকাত হিসেবে চিনে ও জানে। গত কয়েক বছরের ব্যবধানে এ ব্যক্তি কোটি কোটি টাকার মালিক হন। আনোয়ারা উপজেলার প্রখ্যাত জমিদার পেছু মিয়ার বিশাল সম্পত্তি রাজাখালীতে দেখভাল করছিলেন বদু মেম্বার। ২০০১ সাল থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির প্রভাবশালী নেতা হয়েছে। সাগরে তার তিনটি ফিশিং বোট আছে। ভোলা নদী ও কুতুবদিয়া চ্যানেলের অদূরবর্তী স্থানে এ বাড়িটির অবস্থান। সেখানে টর্সার সেল আছে এ মেম্বারের। তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম যুবদল রাজাখালীর সভাপতি। অপর ভাই এ ইউপির চেয়ারম্যান। পেকুয়া থানার ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান জানায়, মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলছে। প্রধান আসামীকে পুলিশ খোঁজছে। আশা করছি মুল হোতা অবশ্যই ধরা পড়বে।

#####
পেকুয়ায় ইটভাটাকে জরিমানা করল ভ্রাম্যমান আদালত
পেকুয়া অফিস:
পেকুয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এ সময় উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের একটি ইটভাটায় অভিযান পরিচালিত হয়। সরকারী বিধি বহির্ভূত উপায়ে ইট উৎপাদন করায় এফ,বি,এস নামের ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশন (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালমা ফেরদৌস ২৮ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট এ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। সরকারী ছাড়পত্র চুড়ান্ত করন না হওয়া পর্যন্ত এফ,বি,এস ইটভাটাকে ইট উৎপাদন থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

########
পেকুয়ায় পাহাড় কেটে ফসলী জমি
পেকুয়া অফিস:
পেকুয়ায় পাহাড় কেটে তৈরী করা হয়েছে ফসলী জমি। উপজেলার টইটং ইউনিয়নের কেরনছড়ি দুর্গম পাহাড়ী অরন্যে পাহাড় কাটার মহোৎসব চলছে। চট্রগ্রাম দক্ষিন বনবিভাগের আওতাধীন বারবাকিয়া রেঞ্জের ও টইটং বনবিটের অধিন কেরনছড়ি গ্রামে পাহাড় কর্তনের এ কর্মযজ্ঞ চলমান রয়েছে। বনবিভাগের মালিকানাধীন কেরনছড়ি পাহাড় নামক স্থানে পাহাড়ী সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সাবাড় করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, কেরনছড়ি এলাকার মৃত আবুল কাসেমের ছেলে নুরুল ইসলাম ও তার ভাই সাহাব উদ্দিন রিজার্ভ পাহাড়ের এ অংশ কেটে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছেন। ওই অংশে বনবিভাগ সামাজিক বাগান সৃজন করেন। উপকারভোগী ও বনবিভাগ পাহাড়ের সামাজিক বাগান দেখভাল পরিচর্যাসহ রক্ষনাবেক্ষন করছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, ওই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি নুরুল ইসলাম সরকারী এ পাহাড় কাটার কাজে লিপ্ত হয়েছে। তারা দু’ভাই পাহাড়ের এ অংশকে নিজ সম্পত্তি দাবী করে সেখানে জবর দখল প্রতিষ্টা ত্বরান্বিত করেছেন। পাহাড়ের টিলার ঢালুর নিচে অংশে ফসলী জমি আছে। রিজার্ভ সম্পত্তির এ ফসলি জমিতে স্থানীয়রা চাষাবাদ করছিলেন। ওই স্থানে নুরুল ইসলাম গংদের দখলে আছে ৬০ শতক ফসলী জমি। এ সব বনবিভাগের মালিকানাধীন সম্পত্তি। পাহাড়ের গোহায় আরও সম্পত্তি বাড়াতে তারা কেরনছড়ির রিজার্ভ পাহাড় মিশিয়ে দিতে ব্যস্ত। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, টইটং বনবিট কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রায় দেড় কিলোমিটার দুরবর্তী স্থানে কেরনছড়ির দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় নুরুল ইসলাম গং পাহাড় কেটে জমি তৈরী করেছেন। তারা ১ মাস আগে এ স্থানে পাহাড়ের ঢালু অংশ খনন করে। এ স্থানে প্রায় ১০ শতক ফসলী জমি তারা তৈরী করে। বর্তমানে এ জমিতে তারা আমন ফসল ফলায়। ধানের চারার বয়স হয়েছে আনুমানিক ১ মাস হবে। এ সব ফসলে সবুজের সমারোহ তৈরী হয়েছে। জমিতে ফসল ভাল হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, নুরুল ইসলামের বাবা আবুল কাসেম পাহাড়ের এ অংশ মিশিয়ে জমিতে পরিনত করে। নুরুল ইসলামের মা রাশেদা বেগম জানায়, এ জমি আমার স্বামী আবাদ করে। আমি অসহায় মহিলা। ফসল উৎপাদন করে জীবিকা চালায়। পাহাড় কেটে সাবাড় করা হয়নি। উপর থেকে কিছু পলি জমিতে পড়ছিল। এ মাটিগুলি আমরা তুলে ফেলেছি। চট্রগ্রাম দক্ষিন বনবিভাগের বারবাকিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল গফুর ভূইয়া জানায়, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। খোঁজ খবর নিচ্ছি। যদি এ ধরনের হয়ে থাকে অবশ্যই দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

##############
পেকুয়ায় ঔষধ কোম্পানীর এমআরকে পিটিয়ে টাকা লুট
পেকুয়া অফিস:
পেকুয়ায় ঔষধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (এমআরকে) পিটিয়ে টাকা লুট করেছে দুবৃর্ত্তরা। ২৬ আগস্ট রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা বলিরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ওষধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহত ব্যক্তির নাম তাজিম উদ্দিন হিরু(৩৮)। তিনি সদর ইউনিয়নের হরিণাফাড়ি গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে। এ বিষয়ে তাজিম উদ্দিন পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ সুত্র জানায়, ওই দিন সকালে তাজিম উদ্দিন বলিরপাড়ায় যান। তিনি পপুলার ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি (এমআর) হিসেবে ফিল্ডে যান। বেশ কিছু ফার্মেসী থেকে ওষধের অর্ডার কালেকশনসহ বকেয়া টাকা আদায় শেষে পেকুয়া সদরের দিকে ফিরছিলেন। টমটম গাড়ীতে করে তিনি চৌমুহনীর দিকে রওয়ানা দেন। বলিরপাড়া ষ্টেশন থেকে অল্প দুরে উত্তরদিকে পৌছেন। পথিমধ্যে বলিরপাড়া চৈড়ভাঙ্গা সড়কে তাকে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা ৫/৬ জনের দুবৃর্ত্তরা গতিরোধ করে। এ সময় টানা হেচড়াসহ গাড়ী থেকে নামিয়ে ফেলে। এক পর্যায়ে সবাই মিলে ব্যাপক মারধর করে। এ সময় পপুলার ফার্মেসীর কালেকশনকৃত নগদ ৫১ হাজার ৭২০ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে সটকে পড়ে। তাজিম উদ্দিন জানায়, আমি প্রায় সময় এমআর হিসেবে টাকা তুলতে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি। ওই দিন আমি রাতে টাকা তুলতে গিয়েছিলাম। আসার পথে তারা আমাকে আক্রমন করে। আমি চিৎকার করছিলাম। এ সময় স্থানীয়রা এসে আমাকে উদ্ধার করে। পেকুয়া থানায় ফোন দিয়েছিলাম। টহল পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে।

#################
পেকুয়ায় স্কুলে শোক দিবস পালিত
পেকুয়া অফিস:
পেকুয়ায় সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচী। ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উদযাপন করে এ স্কুল কর্তৃপক্ষ। ওই দিন জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে এ স্কুল ব্যাপক কর্মসুচী পালন করে। স্কুল মিলনায়তনে শোক দিবসের এক সমাবেশ অনুষ্টিত হয়। দুপুর ১২ টার দিকে এ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহাবুব উল করিম। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সহসভাপতি ছাত্রলীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সাবেক আহবায়ক নাছির উদ্দিন বাদশার সভাপতিত্বে সভায় এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালামত উল্লাহ, এলজিইডির পেকুয়ার প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, ইউআরিসর ইন্সপেক্টর রক্স-২- আক্তার সানজিদা পপি, প্রধান শিক্ষক মোতাহেরা বেগম, শিলখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, এস,এম,সির সদস্য শহিদুল ইসলাম শাহীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক খাতুনে জন্নাত, উষা রানী সুশীল, নাসিমা আক্তার, ফয়জুন্নেছা খানম, আবুল হোসাইন প্রমুখ। ওই দিন ছাত্রলীগ এ সাবেক নেতার ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে খাবার বিতরন করা হয়েছে।

#############
পেকুয়ায় হামলায় আহত-১
পেকুয়া অফিস:
পেকুয়ায় হামলায় ১ জন গুরুতর আহত হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। শনিবার ২৫ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা স্টেশনে হামলার এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির নাম মো: আয়াতুল্লাহ(৩৭)। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোঁয়াখালী উত্তরপাড়া গ্রামের ফজল করিমের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই দিন বিকেলে আয়াতুল্লাহ তার শাশুরবাড়ী মাঝিরপাড়া থেকে ফুলতলা ষ্টেশনে যায়। এ সময় তিনি ওই ষ্টেশনের নেজাম খলিফার দোকানে বসে গল্প গুজব করছিলেন। এ সময় তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলানো হয়। লোহার রড,হাতুড়িসহ তাকে বেধম পিটিয়ে আহত করে। আয়াতুল্লাহ জানায়, আমি আমার স্ত্রী পিতার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। ফুলতলায় নেজাম খলিফার দোকানে একটি শার্ট সেলাই করতে দিয়েছিলাম। সেটি আনতে গিয়েছিলাম। আফজলিয়াপাড়ার মৃত জাফর আহমদের ছেলে কলিমউল্লাহ, তার ভাই সেলিম ও অপর ভাই আবু হানিফ সহ দুবৃর্ত্তরা আমাকে পিটিয়ে আহত করে। আমি লবণের মাঠ আগাম নিতে টাকা নিয়ে মগনামা গিয়েছিলাম। এ টাকা আমার পকেটে ছিল। প্রায় ৩৩ হাজার টাকা তারা ছিনিয়ে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

৫৭-র চেয়ে ৩২ বড়ই থাকল, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস

It's only fair to share...000নিজস্ব প্রতিবেদক ::  সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তি থাকলেও ...