Home » কক্সবাজার » জেলায় সেবা খাতে সেরা চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি, চকরিয়া প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিনন্দন

জেলায় সেবা খাতে সেরা চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি, চকরিয়া প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিনন্দন

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া ::

কক্সবাজার জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে ভূমি সেবা খাতে অনবদ্য অবদানের জন্য চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত সেরা নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন ভূমি সেবা খাতে গত একবছরের কর্মকান্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা হিসেবে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাতের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সকল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলার আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারি কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের সকল নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়া উপজেলা ভুমি অফিসের তথ্য মতে, ২০১৭–১৮ অর্থবছরে ব্যক্তিখাতে ভূমি উন্নয়ন কর শতভাগ আদায় হলেও সংস্থা খাত থেকে আদায় কম হয়েছে। ব্যক্তিখাতে ভূমি উন্নয়ন করের দাবি ছিল ১কোটি ১১লাখ ৭৮হাজার ৫৭০ টাকা। পুঞ্জিভূত কর আদায় হয়েছে সুদ আসলে ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ২২৩ টাকা। আদায়ের হার ১০১ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

চকরিয়া উপজলো সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত বলেন, একটি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়ন নিয়ে চকরিয়া উপজেলার কর আদায়যোগ্য ব্যক্তি ও সংস্থাদের তালিকা করে ডিমান্ড নির্ধারণ করা হয়। বিদায়ী অর্থবছরে দাবিকৃত করের মধ্যে ব্যক্তিকর আদায়ে সাফল্য আসলেও বেশকটি সংস্থা কর আদায় না করায় এই সংস্থা থেকে আশানুরুপ কর আদায় করা সম্ভব হয়নি। ইতিপূর্বে শতকোটি টাকার বেশী বকেয়া কর বনবিভাগ ১৬-–১৭ অর্থবছরে আদায় করায় সংস্থাখাতে করের ডিমান্ড কমেছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানায়, বিদায়ী অর্থবছরে ব্যক্তিখাতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করেছে চিরিঙ্গা ভূমি অফিস ৫০ লাখ ১৪ হাজার ৯ শত টাকা, কাকারা ভূমি অফিস ১৫ লাখ ৮২ হাজার ৬৪ টাকা। পূর্ব বড় ভেওলা ভূমি অফিস ৩৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪০ টাকা ও হারবাং ভূমি অফিস ১৩ লাখ ৬ হাজার ৩১৯ টাকা। এই চারটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংস্থাখাত থেকে ডিমান্ডের তুলনায় অতিস্বল্প কর আদায় করেছে।

চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার হিসেবে খোন্দকার ইফতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ আরাফাত যোগদানের পর উপজেলা ভূমি অফিসে জমি সংক্রান্ত সেবার মান বদলে যেতে শুরু হয় একবছর আগে থেকে। বিশেষ করে সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে তিনি অনলাইন কার্যক্রম শুরু করার পর সরকারি পরিসেবায় ইতোমধ্যে এই কার্যক্রমটি বেশ সাড়া ফেলেছে। জমি সংক্রান্ত সকল কাজে ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও তড়িৎ প্রদক্ষেপ। এতে উপহারভোগী জনসাধারণ সুফলও পেতে চলছে।

অফিসের সকল কাজে সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি তিনি চকরিয়া উপজেলা ভূমি অফিসে চালু করেছেন সেবাপ্রার্থী মানুষের জন্য বিশ্রামগার। প্রতিদিন উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন জনপদ থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে নানা সমস্যা নিয়ে আসেন জমি মালিক এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা। অফিসে বসার জায়গা সংকুলন না হওয়ায় সেবাপ্রার্থীরা আগে দুর্ভোগের সম্মুখীন হতেন। বিষয়টি আমলে নেন সহকারি কমিশনার (ভুমি) খোন্দকার ইফতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ আরাফাত। পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে তিনি পরার্মশ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরউদ্দিন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের সাথে। এরপর তৈরী করেন উপজেলা ভূমি অফিসের সামনের উঠানে সেবাপ্রার্থীদের বসার জন্য একটি বিশ্রামগার। চকরিয়া উপজেলা ভুমি অফিসে যোগদানের মাত্র একবছরে ভূমি সেবা খাতে অসাধারণ পরিবর্তন আনতে সক্ষম হওয়ায় কক্সবাজার জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে অনবদ্য অবদানের জন্য চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত সেরা নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে চকরিয়া চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত ভূমি সেবা খাতে অনবদ্য অবদানের জন্যকেক্সবাজার জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে সরা নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ। শুভেচ্ছা প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.জাহেদ চৌধুরী (দৈনিক পূর্বকোণ/আজকের কক্সবাজার) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক মিজবাউল হক (দৈনিক ভোরের কাগজ/দৈনিক কক্সবাজার/চট্টগ্রাম মঞ্চ), কার্যকরী সভাপতি ছোটন কান্তি নাথ (দৈনিক কালের কন্ঠ/আজাদী), সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম হানিফ (প্রথম আলো),সহ-সভাপতি যথাক্রমে- রফিক আহমদ (নয়াদিগন্ত), জহিরুল ইসলাম (দৈনিক কর্ণফূলী/ চকরিয়া নিউজ ডটকম), এম.এইচ আরমান চৌধুরী (দৈনিক ইত্তেফাক), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক-মুকুল কান্তি দাশ (দৈনিক আমাদেরসময়/আজকের দেশবিদেশ), মো.মঞ্জুর আলম (দৈনিক যায়যায়দিন), অর্থ-সম্পাদক এম. জিয়াবুল হক (দৈনিক সংবাদ/সুপ্রভাত বাংলাদেশ/বাঁকখালী), দপ্তর সম্পাদক-সাইফুল ইসলাম খোকন (দৈনিক বাংলাদেশের খবর/দৈনিক সৈকত), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- এম.মনছুর আলম (দৈনিক সাঙ্গু/সাগরদেশ), তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক-মোহাম্মদ উল্লাহ (দৈনিক আমার সংবাদ/ইনানী), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- বাপ্পী শাহরিয়ার (দৈনিক জাগরণ/রুপসীগ্রাম), নির্বাহী সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক এম.আর মাহমুদ (সমকাল), নির্বাহী সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক এ.এম ওমর আলী (দৈনিক দিনকাল/ রুপালী সৈকত), নির্বাহী সদস্য এ.কে এম ইকবাল ফারুক (দৈনিক পূর্বদেশ), নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ফারুক (বাংলাদেশ প্রতিদিন) প্রমুখ। #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...000অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...