Home » পার্বত্য জেলা » নাইক্ষ্যংছড়িতে নিষিদ্ধ সময়ে বাশঁ কেটে পাচারের অভিযোগে বাঁশ জব্দ, ছাড়িয়ে নিতে বনবিভাগ-রহমত চক্র তৎপর

নাইক্ষ্যংছড়িতে নিষিদ্ধ সময়ে বাশঁ কেটে পাচারের অভিযোগে বাঁশ জব্দ, ছাড়িয়ে নিতে বনবিভাগ-রহমত চক্র তৎপর

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

মাঈনুদ্দিন খালেদ,  নাইক্ষ্যংছড়ি ::

বাশেঁর প্রজনন বৃদ্ধি ও চারা বাঁশ নিরাপদে বেড়ে উঠার জন্যে জুন-জুলাই-আগষ্ট (৩ মাস) বন্ধের সময়ে বাশঁ কেটে পাচারকালে কয়েকহাজার বাশঁ ও ৫০ মাথা মূল্যবান কাঠ জব্দ করেছে ১১ বিজিবি। যার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা। বিজিবি সদস্যরা আজ ১৮ জুলাই বুধবার সকালে এ সব জব্দ করেন চিকনছড়ি বনবিট কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জার নূরে আলমের দায়িত্বপূর্ণ বন এলাকা থেকেই। পাচারকারী দল কর্তৃর্ক এ সব বাশঁ কেটে আনার সময় ১১ বিজিবির ছাগল খাইয়া বিওপি’র জোয়ানরা ঠান্ডাঝিরির মুরুংখাই বাশঁঘাট থেকে আটক করে। ১১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে:কর্ণেল আনোয়ারুল আজিম জানান,আটক বাশঁ জব্দের সময় কোন কাগজ না থাকায় বিজিবি এ সব বাঁশ তাদের নিয়ন্ত্রনে আনে। আটকের সময় এ বাশেঁর কোন কাগজ বাশঁ ব্যবসায়ীরা দেখাতে পারে নি। তাই এ আটক হয়। আর বন্ধের সময় বাশঁ কাটার প্রশ্নই-তো আসে না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাশ কাটা বন্ধ হলেও জুলাই মাসে প্রতিটি বাজারে বাশঁ বিক্রি হয়েছে দেদারছে। আজকালের ঘটনাও তাদের ধারাবাহিকতা। আজ বুধবার বিজিবি বাশঁ আটকের আগ মূহুর্তে বাঁকখালীর এ বাঁশঘাটে অন্তত ৫ হাজারের অধিক বাশঁ এই ঘাটে বাধাঁছিল্।ো আর পাহাড়ে পাচারের অপেক্ষায় আছে আরো ১ লাখের উপরে। যা পাহাড়ে,ছড়ায়-ঝিরিতে আটকানো আছে। সুযোগ বুঝে রাতে বাকঁখালী নদী পথে রামুর বাঁশ বাজারে পাচার করা হবে ক্রমান্বয়ে।

তারা আরো জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি বনরেঞ্জ আওতাধিন একাধিক বনবিট থেকে কাটা গাছ-বাশঁ বিক্রির জন্যে হাট বসে প্রতি বৃহষ্পতিবার। সে মতে এ হাটেও গাছ-বাশঁ বিক্রি হয়ে আসছে হরদম বর্তমানেও। তারা জানান, বর্তমানে শতশত বাশঁ ও গাছ কাঠুরিয়া পুরো নাইক্ষ্যংছড়ির বিস্তৃর্ণ বনে বাশঁ-গাছ কাটছে বিরামহীনভাবে। যাদের কিছু অংশ কাঠ গিলে খাচ্ছে উপজেলায় নানা স্থানে স্থাপিত প্রায় ২০টির অধিক করাত কল। এখানে আরো আছে ৭টি ইটভাটাও। এভাবে এ বনের কাঠ ব্যবহারে নাইক্ষ্যংছড়ি,রামু, উখিয়া,ঈদগাঁও,কককসাজার ও খুটাখালীতে গড়ে উঠছে ৫ শতাধিক ফার্নিসারের দোকান-পাট। আর এভাবে বাশেঁর বেলাতেও অনুরূপ ঘটনা ঘটে যাচ্ছে এ উপজেলায়।

স্থানীরা জানান, চিকনছড়ি বনবিট এলাকার সরকারী বেসরকারী সব ধরনের পাহাড় এখন বনদস্যূদের নিয়ন্ত্রনে চলে যায় এভাবে। এ বনে বনবিভাগ মূখে কুলূপ নিলেও বিজিবি যা করেন-তাতেই সার। গতকাল বৃধবারের ঘটনাও তারই অংশ বিশেষ। তাদের বক্তব্য বন্ধের সময় ১টি বাশঁ কাটতে শত চারা বাশঁ নষ্ট হয়,কাটা যায়। আর কাঠ-বাশঁ পাচারকারী দলের চলাচলে বাশেঁ প্রজনন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা নূরে আলম এ প্রতিবেদককে জানান,বিজিবি কতৃর্ক বাশঁ আটকের কথা শুনেছেন তিনি। তবে কতটি বাঁশ তারা ধরেছে সে মূর্হুতে বলতে পারেননি তিনি।

সংবাদ প্রেরক-

মাঈনুদ্দিন খালেদ, নাইক্ষ্যংছড়ি মো: ০১৭৩১১৭৩৩৩৭

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।