Home » Uncategorized » রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে নিহত ১০

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে নিহত ১০

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page
গতবছরের জুনেও রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ধসে শতাধিক নিহত হয়েছিলেন। –ফাইল ছবি

ডেস্ক নিউজ:

রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে মা-ছেলেসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) কোয়ালিটি চাকমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাতে ভারি বর্ষণে মাটি চাপায় বুড়িঘাট ইউনিয়নে মা-ছেলেসহ চারজন ও ধর্মচরণ ইউনিয়নে একই পরিবারের চারজন ও হাতিমারা ইউনিয়নে দুইজন নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে আটজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন- উপজেলার ৩নং বুড়িঘাট ইউনিয়নের ধরমপাশা কার্বারি পাড়ার স্মৃতি চাকমা (২৩), তার ছেলে আয়ুব দেওয়ান (দেড় মাস), ফুলদেবী চাকমা (৫৫) ও ইতি দেওয়ান (১৯), ধর্মচরণ ইউনিয়নের রমেল চাকমা (১৪), সুরেন্দ্র চাকমা (৫৫), রাজ্যদেবী চাকমা (৫০) ও সোনালী চাকমা (১৩)।

নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন ও নানিয়ারচর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ পাহাড় ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এতে ঠিক কতজন নিহত হয়েছেন তা নিশ্চিত করতে পারেননি।

রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক না থাকায় ইউএনও এবং ওসি এখনো ওই এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে পারেননি। তাই পাহাড় ধসে ঠিক কতজন নিহত ও নিখোঁজ রয়েছে তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।