Home » কক্সবাজার » `কক্সবাজার ৭১’ পত্রিকার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মানহানি মামলা

`কক্সবাজার ৭১’ পত্রিকার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মানহানি মামলা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

বিশেষ প্রতিবেদক :

কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক কক্সবাজার ৭১ পত্রিকার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের দায়ে মানহানি ও চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১ টায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজীব দাশ মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন। গত ১০ জুন কক্সবাজার ৭১ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় “রোহিঙ্গাদের নিয়ে বখতিয়ার মেম্বারের ইয়াবা ব্যবসা, ভয়াবহ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে স্থানীয় সিন্ডিকেট” শীর্ষক সংবাদে রাজাপালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বখতিয়ার আহমদকে জড়িয়ে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

বাদী পক্ষের আইনজীবি এডভোকেট আমান উল্লাহ আমানু জানান, বাদী বখতিয়ার আহমদ একজন সম্মানি ব্যক্তি ও রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। মামলার আসামী গন বিভিন্ন সময় বখতিয়ার আহমদ ও তার ছেলে হেলাল উদ্দিনের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে আসছে। তার কাছ থেকে দাবীকৃত চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হওয়ায় আসামী কক্সবাজার ৭১ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক বেলাল উদ্দিন বেলাল, বার্তা সম্পাদক শ ম ইকবাল বাহার চৌধুরী, পরিচালনা সম্পাদক জাহাংগীর আলম ও বিশেষ প্রতিনিধি আবদুল গফুর পরস্পর যোগসাজসে বাদীর কাছে ৩ লক্ষ টাকা চাদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় গত ১০ জুন কক্সবাজার ৭১ পত্রিকায় বাদীকে নিয়ে কক্সবাজার ৭১ পত্রিকার ১ম পৃষ্ঠায় কুতুপালং ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নিয়ে বখতিয়ার মেম্বারের ইয়াবা ব্যবসা, ভয়াবহ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে স্থানীয় সিন্ডিকেট “শিরোনামে মিথ্যা, বানোয়াট ও কুরুচিপূর্ণ সংবাদ প্রকাশিত হয়। যার কারনে বাদীর মানহানি হয়েছে। তাই বাদী বখতিয়ার আহমদ সংক্ষুব্ধ হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। যার নং-সিআর ১৯১/২০১৮।

মামলার বাদী বখতিয়ার আহমদ জানান, কক্সবাজার ৭১ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক পরিচয়ধারী বেলাল উদ্দিন বেলাল প্রায় সময় আমি ও আমার ছেলের কাছে চাঁদা দাবী করে অাসছে। দাবীকৃত চাঁদা আদায় করতে না পেরে আমি ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে মাদকের কোন মামলা তো দুরের কথা অভিযোগও না থাকা সত্বেও সে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আমার ও আমার ছেলের মানহানি করেছে। তাই আমি আইনের অাশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি। তিনি অারো জানান, কক্সবাজার ৭১ পত্রিকায় আরো সংবাদ প্রকাশ করবে বলে আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকিও দেয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ক্রেস্টের নামে বাংলাদেশিদের জমজমাট বাণিজ্য

It's only fair to share...21500॥ শাহাব উদ্দিন সাগর ॥  নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠানগুলোতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে ক্রেস্ট প্রদানের একটি রীতি দীর্ঘ দিন ধরে চালু রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কমিউনিটির খ্যাতিমানদের সম্মানিত করার এই রেওয়াজ সর্বমহলে প্রশংসিতছিল এবং এই উদ্যোগ একটি প্রেরণা হিসাবে বিবেচিত হত। কিন্তু এখন এই সব ক্রেস্ট কতটা সম্মানের কিংবা আদৌ সম্মানজনক কিনা তা নিয়ে কমিউনিটির বিদগ্ধমহল প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, ক্রেস্ট প্রদানের এই প্রশংসিত প্রক্রিয়াকে‘অমর্যাদাকর’ পর্যায়ে নামিয়ে ফেলেছেন কিছু সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি। যাদেরকে তারা অভিহিত করেছেন ‘ধান্দাবাজ’ হিসাবে। এই ব্যক্তিরা ক্রেস্ট প্রদান নিয়ে এক ধরনের বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তাদের অভিযোগ। তারা আরো বলেছেন, প্রবাসীদের সম্মানিত করার নামে এখন চলছে জমজমাট ‘ক্রেস্ট বাণিজ্য’। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা ক্রেস্ট দেয়ার নামে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এই সব আয়োজকরা অর্থের বিনিময়ে কমিউনিটির যে কোনমানুষের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। আবার ক্রেস্টগুলো দিতে গিয়ে বাজারের মূলা-বেগুনের মত দাম-দর হাঁকানো হচ্ছে। দাম-দরে বনিবনা হওয়ার পরই অনুষ্ঠানের মঞ্চে ডেকে এই সব ব্যক্তিদের হাতে ক্রেস্ট হস্তান্তর করা এখন তারা নিয়মেপরিণত করেছেন। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে এমন কিছু অনুষ্ঠান হয়েছে যেখানে দর্শকদের চেয়ে ক্রেস্ট গ্রহীতার সংখ্যাই ছিল বেশি। কমিউনিটির সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, ‘ইনডোর’ থেকে শুরু করে ‘আউটডোর’ সব ধরনেরপ্রোগ্রামেই এই ক্রেস্ট বাণিজ্য চলছে। ফলে অধিকাংশ ক্রেস্ট গ্রহীতার অবদান এবং কর্মকান্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তারা অনুষ্ঠান থেকে ক্রেস্ট হাতে বের হয়ে আসার পর লোকজনকে প্রকাশ্যে তাদের সম্পর্কে নানা বিরূপ মন্তব্য করতে শোনাযাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্মানীয় ব্যক্তিরা যদি এভাবে ক্রেস্ট নিতে অনিহা প্রকাশ করেন তবে আয়োজকরা এ ধরনের হীন কাজ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। পাশাপাশি আত্মপরিচয়হীনতায় ভুগতে থাকা ক্রেস্টলোভীরা লজ্জায় পড়তেপারেন। সামার এলেই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠানের হিড়িক পড়ে যায়। শুক্রবার এবং শনিবার সামাজিক অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকে কমিউনিটি। সংগঠনের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে থাকে। কমিউনিটির বিশিষ্টজনরা বলছেন, গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশি অনুষ্ঠানগুলোতে গণহারে ক্রেস্ট দেয়ার প্রবণতা শুরু হয়েছে। এক পর্যায়ে এসে সেটি পরিণত হয় প্রতিযোগিতায়। মেলা, কনভেনশন বা কোন বিখ্যাত ব্যক্তির নামে এককঅনুষ্ঠান করেও ক্রেস্ট প্রদানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হচ্ছে। কোন কোন অনুষ্ঠানে এক-দুজন খ্যাতিমান ব্যক্তিকে যথার্থভাবেই ক্রেস্ট দেয়া হলেও তাকে সামনে রেখে ডজন ডজন অজ্ঞাতকূলশীলকে ক্রেস্ট দেয়া হচ্ছে অর্থের বিনিময়ে। এ সব এখনবাংলাদেশি অধ্যুাষিত এলাকাগুলোতে ‘ওপেন সিক্রেট’। গণহারে ক্রেস্ট দেয়াকে সমর্থন করেন না এমন কয়েকজন সাপ্তাহিক আজকালকে বলেন, বাজারে মূলা- বেগুনের মত দাম হাঁকিয়ে ক্রেস্ট দেয়া হচ্ছে অনেকের হাতে। যিনি যত অর্থ দিচ্ছেন তিনি তত বড় আকারের ক্রেস্ট পাচ্ছেন এই সবআয়োজকদের কাছ থেকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিউইয়র্কে এমনও অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের বাসা ও অফিসের দেয়াল ভরে গেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া ক্রেস্টে। ক্রেস্টগুলো দেয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামের আগে আবার জুড়ে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পদপদবী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে নানা অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিও রয়েছেন। বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার হওয়ার পর তারা এখন ক্রেস্ট হাতে সমাজে বুক ফুলিয়ে বেড়াচ্ছেন। ...