Home » কক্সবাজার » রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহার পরিদর্শনে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার

রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহার পরিদর্শনে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার

It's only fair to share...Share on Facebook215Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

নীতিশ বড়ুয়া, রামু ::

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহার পরিদর্শন করেছেন। আজ শনিবার (২৬ মে) বিকাল সাড়ে ৩ টায় রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ উপ-সংঘরাজ সত্যপ্রিয় মহাথের’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। মন্ত্রী একুশে পদকে ভূষিত বাংলাদেশ সংঘরাজ মহা সভার উপ-সংঘরাজ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের, বিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বৌদ্ধদের সাথে কথা বলেন।

বিহার পরিদর্শন কালে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। প্রযুক্তির উৎর্কষে আমরা সমৃদ্ধি অর্জন করছি। টেকনোলজি মোকাবিলা করতে টোকনোলজিই ব্যবহার করতে হয়। অন্য কোন উপায়ে হয়না। তিনি বলেন, দেশে ফেইসবুক কেন্দ্রিক কিছু ঘটনা ঘটার পর, সরকারের সাথে ফেইসবুকের যোগাযোগ উন্নতি হয়েছে। ফেইসবুকে ফেইকআইডি বা অপরাধমুলক কর্মতৎপরতা দেখা দিলে, এখন আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি। আমাদের এখন সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কেউ অন্যায় করে পার পেতে পারবে না।

প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, আমরা ট্যাকনোলজি ব্যবহার করে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে যারা যুক্ত ছিল তাদের প্রায় সবাইকেই আটক করতে পেরেছি। আগামী বছর থেকে ফেইসবুকের সবকিছু আমরা নিজেরাই মনিটর করতে পারবো। কোন সমস্যা দেখা দিলেই তিনি সরাসরি তাঁর সাথে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানান।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী শনিবার বিকালে রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহারের পৌঁছালে বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজু বড়–য়া ও বিহারের দায়ক-দায়িকারা মন্ত্রীকে পুষ্পস্তবক দিকে স্বাগত জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) চাই থোইহলা চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার তানভীর আহমেদ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল সদস্য জাহিদ মোহাম্মদ ফিরোজ, ওসি (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমান, বিহারে আবাসিক ভিক্ষু শীলপ্রিয় থের, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ রামু’র সদস্য সচিব অধ্যাপক নীলোৎপল বড়–য়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি রামু’র সাধারণ সম্পাদক মৃণাল বড়–য়া, রামু উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়–য়া, শিক্ষক নীরুপমা বড়–য়া, শিপন বড়–য়া প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ক্রেস্টের নামে বাংলাদেশিদের জমজমাট বাণিজ্য

It's only fair to share...21500॥ শাহাব উদ্দিন সাগর ॥  নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠানগুলোতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে ক্রেস্ট প্রদানের একটি রীতি দীর্ঘ দিন ধরে চালু রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কমিউনিটির খ্যাতিমানদের সম্মানিত করার এই রেওয়াজ সর্বমহলে প্রশংসিতছিল এবং এই উদ্যোগ একটি প্রেরণা হিসাবে বিবেচিত হত। কিন্তু এখন এই সব ক্রেস্ট কতটা সম্মানের কিংবা আদৌ সম্মানজনক কিনা তা নিয়ে কমিউনিটির বিদগ্ধমহল প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, ক্রেস্ট প্রদানের এই প্রশংসিত প্রক্রিয়াকে‘অমর্যাদাকর’ পর্যায়ে নামিয়ে ফেলেছেন কিছু সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি। যাদেরকে তারা অভিহিত করেছেন ‘ধান্দাবাজ’ হিসাবে। এই ব্যক্তিরা ক্রেস্ট প্রদান নিয়ে এক ধরনের বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তাদের অভিযোগ। তারা আরো বলেছেন, প্রবাসীদের সম্মানিত করার নামে এখন চলছে জমজমাট ‘ক্রেস্ট বাণিজ্য’। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা ক্রেস্ট দেয়ার নামে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এই সব আয়োজকরা অর্থের বিনিময়ে কমিউনিটির যে কোনমানুষের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। আবার ক্রেস্টগুলো দিতে গিয়ে বাজারের মূলা-বেগুনের মত দাম-দর হাঁকানো হচ্ছে। দাম-দরে বনিবনা হওয়ার পরই অনুষ্ঠানের মঞ্চে ডেকে এই সব ব্যক্তিদের হাতে ক্রেস্ট হস্তান্তর করা এখন তারা নিয়মেপরিণত করেছেন। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে এমন কিছু অনুষ্ঠান হয়েছে যেখানে দর্শকদের চেয়ে ক্রেস্ট গ্রহীতার সংখ্যাই ছিল বেশি। কমিউনিটির সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, ‘ইনডোর’ থেকে শুরু করে ‘আউটডোর’ সব ধরনেরপ্রোগ্রামেই এই ক্রেস্ট বাণিজ্য চলছে। ফলে অধিকাংশ ক্রেস্ট গ্রহীতার অবদান এবং কর্মকান্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তারা অনুষ্ঠান থেকে ক্রেস্ট হাতে বের হয়ে আসার পর লোকজনকে প্রকাশ্যে তাদের সম্পর্কে নানা বিরূপ মন্তব্য করতে শোনাযাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্মানীয় ব্যক্তিরা যদি এভাবে ক্রেস্ট নিতে অনিহা প্রকাশ করেন তবে আয়োজকরা এ ধরনের হীন কাজ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। পাশাপাশি আত্মপরিচয়হীনতায় ভুগতে থাকা ক্রেস্টলোভীরা লজ্জায় পড়তেপারেন। সামার এলেই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠানের হিড়িক পড়ে যায়। শুক্রবার এবং শনিবার সামাজিক অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকে কমিউনিটি। সংগঠনের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়েও অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে থাকে। কমিউনিটির বিশিষ্টজনরা বলছেন, গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশি অনুষ্ঠানগুলোতে গণহারে ক্রেস্ট দেয়ার প্রবণতা শুরু হয়েছে। এক পর্যায়ে এসে সেটি পরিণত হয় প্রতিযোগিতায়। মেলা, কনভেনশন বা কোন বিখ্যাত ব্যক্তির নামে এককঅনুষ্ঠান করেও ক্রেস্ট প্রদানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হচ্ছে। কোন কোন অনুষ্ঠানে এক-দুজন খ্যাতিমান ব্যক্তিকে যথার্থভাবেই ক্রেস্ট দেয়া হলেও তাকে সামনে রেখে ডজন ডজন অজ্ঞাতকূলশীলকে ক্রেস্ট দেয়া হচ্ছে অর্থের বিনিময়ে। এ সব এখনবাংলাদেশি অধ্যুাষিত এলাকাগুলোতে ‘ওপেন সিক্রেট’। গণহারে ক্রেস্ট দেয়াকে সমর্থন করেন না এমন কয়েকজন সাপ্তাহিক আজকালকে বলেন, বাজারে মূলা- বেগুনের মত দাম হাঁকিয়ে ক্রেস্ট দেয়া হচ্ছে অনেকের হাতে। যিনি যত অর্থ দিচ্ছেন তিনি তত বড় আকারের ক্রেস্ট পাচ্ছেন এই সবআয়োজকদের কাছ থেকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিউইয়র্কে এমনও অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের বাসা ও অফিসের দেয়াল ভরে গেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া ক্রেস্টে। ক্রেস্টগুলো দেয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামের আগে আবার জুড়ে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পদপদবী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট পাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে নানা অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিও রয়েছেন। বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার হওয়ার পর তারা এখন ক্রেস্ট হাতে সমাজে বুক ফুলিয়ে বেড়াচ্ছেন। ...