Home » কক্সবাজার » ঈদগাঁওতে রমজান ঘিরে নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: দিশেহারা লোকজন

ঈদগাঁওতে রমজান ঘিরে নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: দিশেহারা লোকজন

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ::

আসন্ন রমজান মাসকে ঘিরে জেলা সদরের বানিজ্যিক শহর ঈদগাঁও বাজারসহ পাশ্বর্বতী উপবাজার সমুহে বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বেড়েই চলছে। এতে করে কর্মজীবী, দিনমজুর,অসহায় ও খেটে খাওয়া লোকজন অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। দ্রব্যমূল্যের উদ্বগতিতে এক প্রকার জনজীবনে নাভিশ্বাস হয়ে ওঠেছে। এদিকে ঈদগাঁও বাজারে আসা বহু ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে বিরুপ প্রক্রিয়াও  লক্ষনীয়। ঈদগাঁও ভাদিতলার অসহায় লাকড়ি বিক্রেতা আবদু শুক্কুর। প্রায় প্রতিদিন পাশ্বর্বতী কিংবা তারও দুর থেকে ভোর সকালে পাহাড়ে গিয়ে লাকড়ী কেটে বোঝাই করে এনে বাজারে বিক্রি করে। এটি বিক্রি করে সে মুলত দুইশত থেকে আড়াই শত টাকা পায়। কিন্তু বাড়ীর বিভিন্ন খরচ মিটাতে তাকে আরো অর্ধেক টাকা কর্জ নিতে হয় বলে জানান। এভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় চাল, ডাল,তরী তরকারীসহ পরিবার পরিজন চালাতে দারুন ভাবে বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাকে। এতদিন কোন রকম চলছিলো বর্তমানে সবকিছুর দ্বিগুন দামের কারনে টানা পড়েছে সংসারে। কিন্তু সম্প্রতি নিত্যপণ্যের বাজারে দেখা দিয়েছে দ্রব্যমূল্যের অগ্নিদাম। যে কারণে সংসার চালাতে গিয়ে নানা ভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিন্মবৃক্ত পরিবারের মানুষদেরকে।  হাসিনাপাহাড়, শিয়াপাড়া,মাইজপাড়া, কলেজ গেইট, ভোমরিয়াঘোনা, কুলাল পাড়ার একাধিক জন খেটে খাওয়া ব্যাক্তির মতে, তাদের বাড়ীতে প্রতিদিনই ২/৩শত টাকা খরছ হয়। বর্তমান সময়ে পরিবারের সদস্যদের অন্ন যোগাতে গিয়ে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে তাদেরকে। একই কথা দিনমজুর আহমদ হোসনের। তিনি বলেন, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। সংসারে একটি যোগাড় করলেও অন্যটি যোগান করতে গিয়ে নাভিশ্বাস হয়ে উঠছে। ঈদগাঁও বাজারসহ উপ বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৩০ /৪০ টাকার নিচে কোন প্রকার তরী তরকারী পাওয়া এখন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এমনকি শাকসবজির দামও অনেক।
অপরদিকে প্রতিকেজি পেয়াজ ৩৫/৪০ টাকা,রসুন ১৪০/১৪৫ টাকা, তৈল ১১০/১২০ টাকা,আদা ১৪০টাকায় বিক্রি করছে বিক্রেতারা। আবার অনেক ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছে আনার জন্য ২/১টাকা কম দিয়ে হলেও মালামাল বিকিকিনি করছে হরদম।
তাছাড়াও রমজান মাসের প্রধান অনুষঙ্গ চনা ৭০/৮০টাকা,বুট ৪০/৪৫ টাকা,খেজুর প্যাকেট ভেদে ১৫ /৫০ টাকা, ঘি ছোট -বড় ৮০/১৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। তবে গোমাতলীর এক ক্রেতা হতাশ কন্ঠে জানান, বেশ কিছুদিন পূর্বে ১৮/২০ টাকায় বিক্রয় করা পেয়াজ একলাফে বেড়ে ২০ টাকায় হয়ে পড়ে।
নিম্নবিত্ত- মধ্যবিত্তরাও নিত্যপণ্যর অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে । মূল্যেবৃদ্ধিতে খিমশিম খাচ্ছে গ্রামাঞ্চলে দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল মানুষও। জীবন বাঁচাতে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে সাধারন মানুষকে পড়তে হচ্ছে বিপাকে । ব্যয় বাড়লেও আয় না বাড়ায় শেষ সম্বল সঞ্চয় ভেঙ্গে জীবন বাঁচানোর লড়াই করছেন অনেকেই। পবিত্র রমজান মাসে ঈদগাঁও বাজারসহ উপবাজার সমুহ নিয়ন্ত্রণে উদ্বর্তন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা এলাকার অসহায় লোকজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

৫৭-র চেয়ে ৩২ বড়ই থাকল, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস

It's only fair to share...23500নিজস্ব প্রতিবেদক ::  সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তি থাকলেও ...