Home » জাতীয় » চোখ বেঁধে তুলে নেয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আন্দোলনকারীরা

চোখ বেঁধে তুলে নেয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আন্দোলনকারীরা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

ডেস্ক নিউজ :
চোখ বেঁধে ডিবি কার্যালয়ে তুলে নেয়ার ঘটনার পর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা। সোমবার ডিবি কার্যালয় থেকে ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবি কার্যালয় থেকে ফিরে আসা পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর, রাশেদ খান ও ফারুক ৩ জনই বক্তব্য রাখেন। এ সময় সরকারের কাছে নিরাপত্তা দেয়ার দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে রাশেদ খান বলেন, আমার বাবার কোনো দোষ নাই। তাকে ছেড়ে দেয়া হোক। কষ্ট করে লেখাপড়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। তাকে আটক করাটা যথেষ্ট কষ্টকর। এখন আমার বাবার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা চলছে।

নুরুল হক নুর বলেন, গুলিস্তানে নেয়ার পর গামছা কিনে চোখ বাঁধা হয়। মাথায় হেলমেট পড়ানো হয় আমাদের। এরপর ডিবি অফিসে নেয়া হয়।

ডিবি পুলিশ বলেছে, তোমাদের ওপর হামলার আশঙ্কা ছিল। সেজন্য নিয়ে আসা হয়েছে। একটা ভিডিও দেখানোর কথা বলেন তারা যদিও কোনো ভিডিও দেখানো হয়নি। ছেড়ে দেয়ার সময় বলা হয় ডাকলে আবার যেতে হবে ডিবি অফিসে।

নুর দাবি করে বলেন, ‘এটি একটি অপহরণ। মিডিয়া না জানলে হয়তো ফিরে আসতাম কি-না সন্দেহ।’

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অপর নেতা ফারুক হাসান বলেন, আমাদের ওপর হামলা হবে বলে নিয়ে আসা হয়। ডিবি কার্যালয়ে পানি খেতে চাইলে দেয়া হয়নি। নিজেদের নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদেরও নিরাপত্তা দাবি করছি।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা ইস্যু থাকতেই পারে। সরকার ডাকলেই কিন্তু যেতাম। বলে কয়ে নিয়ে গেলে তো আমরা পালাতাম না। অবশ্যই যেতাম। এভাবে না নিয়ে গেলেই পারতো।

কোটা সংস্কারের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাদের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত পদক্ষিণ করে। মিছিলে তারা স্লোগান দেয় ‘গুম করে আন্দোলন থামানো যাবে না।’

এর আগে রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকা থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এই ৩ নেতাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয় সাদা পোশাকের পুলিশ। এর কিছুক্ষণ পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জাগো নিউজের কাছে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের কথা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘তাদের আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। কিছু তথ্য জানতে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। তারা চলে গেছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ঈদগড়ে বাসচালকের রহস্যজনক মৃত্যু

It's only fair to share...000ঈদগড় প্রতিনিধি : রামু উপজেলার ঈদগড়ে হিল লাইন সার্ভিসের এক তরুণ ...