Home » জাতীয় » ভালো নেই বৃক্ষমানব, মুক্তামণির পরিবারও দুশ্চিন্তায়

ভালো নেই বৃক্ষমানব, মুক্তামণির পরিবারও দুশ্চিন্তায়

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

নিউজ ডেস্ক ::

ভালো নেই বিরল রোগে আক্রান্ত আবুল বাজেদার। তার হাত-পা জ্বালা-পোড়া করছে। হাত-পায়ের আঙুলগুলো আবারো গাছের শেকড়ের মতো হয়ে উঠছে। দিন দিন তা বাড়ছে। ২৪ বার অপারেশন করেছিলেন আবুল বাজেদার। সর্বশেষ গেল বছরের ১২ই জুলাই তার অপারেশন হয়।
কিন্তু অপারেশনের ১৫ দিন পর থেকেই আবার গোড়া থেকে গাছের শেকড়ের মতো বের হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। গত প্রায় দুই বছর ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আবুল বাজেদার। তিনি মানবজমিনকে বলেন, ভেবেছিলাম সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যাবো। মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করবো। কিন্তু হলো না। আবার শেকড়ের মতো বাড়লেও এখনও আশা ছাড়িনি। শরীরে খুব ব্যথা হয়। চিকিৎসকরা চেষ্টা করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী হালিমাও কষ্টের কথা জানিয়েছেন। রোগটি আবার বৃদ্ধি পাওয়া দুশ্চিন্তায় আছেন। মনকে বোঝাতে পারছেন না। তবে আশাবাদী তারা। আবুল বাজেদার প্রসঙ্গে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আবারও তার অপারেশ করা হবে। এজন্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়েছি। মাঝে মাঝে এই রোগটি বাড়বে, আবার অপারেশন করতে হবে। এজন্য তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বাজেদারকে নিয়ে তারা আশাবাদী বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে দীর্ঘ ছয় মাস চিকিৎসা শেষে গত ২২শে ডিসেম্বর বাড়িতে ফিরে যাওয়া রক্তনালির টিউমারে আক্রান্ত বারো বছর বয়সী শিশু মুক্তামণিও ভালো নেই। দুশ্চিন্তায় তার পরিবার। সে জানিয়েছে, ‘আমার হাত আগের চেয়ে ভার লাগে। জ্বালা-পোড়া করে। হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিয়েছে। বাড়ি এসেছি। মুক্তামণির বাবা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ওর (মুক্তামণি) হাত ফুলে যাচ্ছে। ভালো তেমন হচ্ছে না। হাতে কোনো অনুভূতি পাচ্ছে না। ডাক্তারা দীর্ঘ ছয় মাস চেষ্টা করেছেন। হাতের ওজন ৩ থেকে ৪ কেজি ছিল, যা আগের মতোই আছে। তেমন উন্নতি হয়নি। চিকিৎসকরা বলেছেন, দুই বছর সময় লাগবে। হাতে আগে গন্ধ হতো এবং পোকা হতো। তা এখন হচ্ছে না। এক মাস পরে ঢামেকে যাওয়ার কথা থাকলেও চিকিৎসকরা তাদের শীত শেষে হাসপাতালে আসার জন্য বলেছেন বলে ইব্রাহিম হোসেন উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, মুক্তামণি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়নি। সে বাড়ি যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে গেছিল। এজন্য কয়েকদিনের জন্য রিলিজ দেয়া হয়েছে। সে আবারও আসবে। শীতের জন্য তাদের একটু দেরিতে আসতে বলেছি।
মুক্তামণির বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ কামার বায়েশা গ্রামে। এ বছরের ১২ই জুলাই ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি হয় সে। বার্ন ইউনিটের ৬০৮ নম্বর কেবিনে ছিল মুক্তামণি। প্রথমে তার রোগটিকে বিরল রোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে বায়োপসি করে জানা যায়, তার রক্তনালিতে টিউমার হয়েছে। তখন তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে যোগাযোগ করেন বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা। মুক্তামণির সব রিপোর্ট দেখে তারা চিকিৎসা করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ঢামেকের চিকিৎসকরাই তার অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে, মুক্তামণির চিকিৎসার সব ধরনের খরচের দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুক্তামণির হাতে ১২ই আগস্ট প্রথম অস্ত্রোপচার হয়। তার হাতের ফোলা অংশ অস্ত্রোপচার করে ফেলে দেন চিকিৎসকরা। পরে দুই পায়ের চামড়া নিয়ে দু’দফায় তার হাতে লাগানো হয়। ঢামেকের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালামের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ একদল চিকিৎসক মুক্তামণির স্কিন গ্রাফটিং (চামড়া লাগানো) অপারেশনে অংশ নেন। পরে মুক্তামণির হাত আবার ফুলে যাওয়ায়, ফোলা কমানোর উদ্দেশ্যে হাতে প্রেসার ব্যান্ডেজ বেঁধে দেয়া হয়।
মুক্তামণিকে কয়েক দফায় বার্ন ইউনিটের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। প্রথম অপারেশনের পর ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবদিকদের জানিয়েছিলেন, তাকে সুস্থ করা আরো দীর্ঘদিনের ব্যাপার, কেননা দেরির কারণে তার শরীরের আরো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নষ্ট হয়ে গেছে। এমনকি আক্রান্ত হাতটি ফেলে দেয়ার আশঙ্কা ছিল। মুক্তামণি পুরো সেরে উঠবে কি না সে ব্যাপারে তারা নিশ্চিত নন বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার হাতের টিউমারটা সরানো তার চিকিৎসার প্রথম স্টেজ। এখনো অনেকদূর যেতে হবে।
অন্যদিকে কয়েকবার অপারেশনের পর স্বাভাবিকের পথে আসতে শুরু করেন গাছমানব। নতুন করে স্বপ্ন দেখেছিলেন বাজেদার ও তার পরিবার। কিন্তু নতুন করে আবার শেকড়ের মতো হাতে ও পায়ে সেই রোগ দেখে তার পরিবার দুশ্চিন্তায় পড়েছে। বিরল রোগে আক্রান্ত আবুল বাজেদারের প্রথমে এক হাতে অস্ত্রোপচার করে ভারমুক্ত করা হয়েছে গত ২০১৬ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি। সাড়ে তিন ঘণ্টার অপারেশনে তার হাতের পাঁচ আঙুলের ওপর বেড়ে ওঠা অংশ ফেলে দেয়া হয়েছে। জটিল অপারেশন নিয়ে চিকিৎসকরা সংশয়ে থাকলেও শেষে তারাও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবুল কালামের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল আবুলের ডান হাতের পাঁচটি আঙুলেই অস্ত্রোপচার করেন ওই সময়ে। এরপর একই বছরের ১৯শে মার্চ বাম হাতে অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এর মধ্যদিয়ে তার দু’হাতই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। তার প্রায় এক মাস আগে অপারেশন হয়েছিল তার ডান হাত। এরপর পর্যায়ক্রমে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা বুঝে হাত ও পায়ের অন্যান্য অপারেশনগুলো করেন চিকিৎসকরা। সর্বশেষ গেল বছরের ১২ই জুলাই অপারেশন করা হয় আবুল বাজেদারের।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পৃথিবীতে বাংলাদেশসহ এখন পর্যন্ত হাতেগোনা কয়েকজনকে এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে। তাদের ইন্দোনেশিয়ায়, রোমানিয়া এবং সর্বশেষ এই বাংলাদেশে দেখা গেল। এই রোগী বাংলাদেশে প্রথম। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে তার চিকিৎসা হবে। তার জন্য গঠন করা হয় ৯ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড। চিকিৎসকদের ধারণা, আবুল বাজেদার ‘এপিডার্মোডিসপ্লাসিয়া ভেরাসিফরমিস’ রোগে আক্রান্ত। রোগটি ‘ট্রি-ম্যান’ (বৃক্ষমানব) সিনড্রম নামে পরিচিত। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এ রোগ হয়। খুলনার পাইকগাছার এই যুবক গত ১২ বছর ধরে এই রোগে ভুগছিলেন। তার হাত ও পায়ের আঙুলগুলো গাছের শেকড়ের মতো হয়ে যায় এবং দিন দিন তা বাড়তে থাকে। তাকে ২০১৬ সালের ৩০শে জানুয়ারি ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। রাখা হয় বার্ন ইউনিটের ৫১৫ কেবিনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...000অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...