ঢাকা,বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

রাখাইনে অর্ধ শতাধিক গণকবরে ৭ হাজার রোহিঙ্গা

এইচএম এরশাদ, কক্সবাজার ::
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত বছরের ২৫ আগস্ট রাতে সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর একের পর এক রোহিঙ্গাদের গণহত্যায় অর্ধশতাধিক গণকবর রচিত হয়েছে।

সেনা অভিযানের এক মাস সময়ে হত্যা করা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার রোহিঙ্গা নর-নারী ও শিশুকে। জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে শত শত রোহিঙ্গা বসতি। দেশান্তরি হয়েছে ৭ লাখেরও বেশি। বাস্তুচ্যুত হয়ে এখনও রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করছে ৫০ সহস্রাধিক।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে বার বার গণহত্যা ও গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়ার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পরও মিয়ানমার সরকার তা মানতে রাজি হয়নি কখনও।

শেষ পর্যন্ত সেনা নেতৃত্বাধীন একটি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ১০ রোহিঙ্গাকে গণহারে হত্যা করে একটি গণকবরের চিত্র। মিয়ানমারের সেনাপ্রধান এ তথ্য স্বীকার করেছেন।

ফলে গণহত্যা ও গণকবরের ঘটনা নিয়ে সন্দেহের আর কোন অবকাশ নেই। এখন আরও ব্যাপকভাবে তদন্ত চালানো হলে বেরিয়ে আসবে অন্যান্য গণকবরের স্থানসমূহ। এসব গণকবর রয়েছে রাখাইন রাজ্যের মংডু, রাচিদং, বুচিদংসহ বিভিন্ন স্থানে।

বিশেষ করে মংডু এলাকা ইতোমধ্যেই রোহিঙ্গা শূন্য হয়েছে। হাতে গোনা কিছু রোহিঙ্গা সেখানে রয়েছে। তবে গোটা রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা সংখ্যা বর্তমানে মাত্র ২ লাখে নেমে এসেছে।

ওপারের সূত্রগুলো মতে, রাখাইন রাজ্যজুড়ে অর্ধশতাধিক গণকবর রয়েছে। গণকবরের এলাকাগুলো হচ্ছে উত্তর মংডুর হাইচ্যুরাতা, গৌজিরবিল, মেদি, সাহাব বাজার, মেধাই, লুদাইং, কক্যদইঙ্গা, মগনিপাড়া, সিকদারপাড়া, বুলখালী, নাকপুরার খাল, সিন্দিপ্রাং, কেয়ারিপ্রাং ও রাচিদং এলাকার আন্ডাং। সুত্র : জনকন্ঠ

পাঠকের মতামত: