Home » চট্টগ্রাম » খালেদা জিয়াসহ বিএনপি-জামায়াতের ৫৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

খালেদা জিয়াসহ বিএনপি-জামায়াতের ৫৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

It's only fair to share...Share on Facebook412Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ বিএনপি-জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ৫৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন কুমিল্লার আদালত। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর এলাকায় যাত্রীবাহী নৈশকোচে পেট্রল বোমা হামলায় আট যাত্রী হত্যা মামলায় এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৫ নম্বর আমলি আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক বেগম জয়নব বেগম এ আদেশ দেন।

গত বছরের ১৬ নভেম্বর জেলা ডিবির ইন্সপেক্টর ফিরোজ হোসেন ওই মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী, মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরসহ ৭৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আজ মঙ্গলবার শুনানি  শেষে চার্জশিট গ্রহণ করে ওই ৫৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

বিবাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস সা’দাত জানান, আদালতে শুনানিকালে জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শাহজাহানসহ বিএনপি-জামায়াতের স্থানীয় ২০ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। খালেদা জিয়াসহ কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারা আদালতে উপস্থিত না থাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

উল্লেখ্য, বিএনপি-জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশকোচ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪০৮০) চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারসংলগ্ন জগমোহনপুর নামক স্থানে পৌঁছালে বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসটির ভেতরে-বাইরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। ওই  সময় বাসে ঘুমিয়ে থাকা যাত্রীরা কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই  আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে সাতজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পর একজনসহ মোট আট ঘুমন্ত যাত্রী মারা যান।

নিহতরা হলেন যশোরের গণপূর্ত বিভাগের ঠিকাদার জেলা সদরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা (বাসা ৩৫, গোলাপ সেন্টার) হাজী রুকনুজ্জামানের ছেলে নুরুজ্জামান পপলু, তার একমাত্র মেয়ে যশোর পুলিশ লাইন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী মাইশা নাঈমা তাসনিন, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার আবু তাহের ও আবু ইউসুফ, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার আসমা আক্তার ও তার ছেলে শান্ত, শরিয়তপুর জেলার ঘোষের হাট উপজেলার দক্ষিণ গজারিয়া গ্রামের ওয়াসিম।

ওই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে আট যাত্রী হত্যা মামলাটি কুমিল্লা ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। গত বছরের ১৬ নভেম্বর আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

গণপূর্তের জমিতে একযোগে ১৭ অবৈধ ভবন, চুপ গণপূর্ত

It's only fair to share...41300বিশেষ প্রতিনিধি : কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে গণপূর্ত বিভাগের আবাসিক এলাকার পূর্বপাশে ...

error: Content is protected !!