Home » পার্বত্য জেলা » আলীকদমে কালোবাজারে বিক্রয়কৃত ভিজিডির চাল উদ্ধার, থানায় মামলা

আলীকদমে কালোবাজারে বিক্রয়কৃত ভিজিডির চাল উদ্ধার, থানায় মামলা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বান্দরবান প্রতিনিধি ঃ  বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার সবচেয়ে দূর্গম কুরুপপাতা ইউনিয়নের ভিজিডি কার্ডে দুস্থদের মাঝে চাউল কালোবাজারে বিক্রয়ের পরে তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ভিজিডি চালের অবৈধ মজুদদার পারভীন আক্তারকে আসামী করে আলীকদম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, আলীকদম থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. রফিক উল্লাহ।

বৃহস্পতিবার ভিজিডি চাল বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরে কালোবাজারের চাল উদ্ধারে মাঠে নামে প্রশাসন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে আলীকদম সদর হিন্দু পাড়ার জনৈক শুক্কুরের স্ত্রী পারভীন আক্তারের বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে ১৩ বস্তা চাল আটক করে আলীকদম থানা পুলিশ। এবিষয়ে পারভীন আক্তারকে আসামী করে করা হয়। মামলা নং ০৬, তারিখ- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ইং।

আলীকদম উপজেলার ভিজিডি কর্মসূচীর সমস্বয়কারী ও উপজেলা মহিলা অধিদপ্তর কর্মকর্তা সুষ্মিতা খীসা চাউল বিতরণে অনিয়মের কথা স্বীকার করে ও জব্দকৃত চাল ভিজিডি কর্মসূচীর নিশ্চিত করে বলেন, আমি অফিসিয়াল কাজে বান্দরবান জেলা সদরে আাছি। এই ঘটনায় যারা জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

কুরুপপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ¤্রাে বলেন, পারভীন আক্তারের কাছে জব্দকৃত চাল ভিজিডি কর্মসূচীর। কিভাবে কোথায় থেকে এই চাল পেয়েছে আমি জানিনা। মামলার বাদী ও তদন্তকারী অফিসার পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আজমগীর বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নায়েরুজ্জামান বলেন, জব্দকৃত ভিজিডি চাল গুলো কিভাবে কালেঅবাজারে গেল তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) আলীকদমের কুরুপপাতা ইউনিয়নের দুস্থ অসহায় মহিলাদের কাছ থেকে ৩ বা ২ মাসের স্বাক্ষর নিয়ে ১ মাসের করে চাল দেয়া হয় এবং বাকী চাল কালোবাজারে বিক্রয় করা হয় বলে জানায় ভিজিডি চাল প্রাপ্ত দুস্থ মহিলারা। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভিজিডি কর্মসূচীর অধিনে উপজেলার কুরুপ পাতা ইউনিয়নে ৭শত জন দুস্থ মহিলা ভিজিডি কার্ডে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার ইউনিয়নের আলীকদম বাজারস্থ কার্যালয়ে ২০৩ জন ভিজিডি প্রাপ্ত মহিলার মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।