Home » পেকুয়া » কর্মসৃজন প্রকল্পে দুর্নীতি, পেকুয়ায় মেম্বার-পিআইও হাতাহাতি

কর্মসৃজন প্রকল্পে দুর্নীতি, পেকুয়ায় মেম্বার-পিআইও হাতাহাতি

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

pekua,,পেকুয়া সংবাদদাতা:

পেকুয়া কর্মসৃজন প্রকল্পে প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) শুভ্রাত দাশের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দূনীর্তির অভিযোগ ওঠেছে। এছাড়াও ঘুষের টাকা না দেওয়ায় সদর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মাহাবুব আলমের সাথে ওই কর্মকর্তার হাতাহাতি ও অশ্লীল বাক্য বিনিময়ের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ৬ জুন প্রকল্প কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাতাহাতি ও অশ্লীল বাক্য বিনিময়ের ঘটনাটি ঘটে।

ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পিআইও শুভ্রাত দাশ কর্মসৃজন প্রকল্পের প্রত্যেকটি প্রকল্প সভাপতির(পিসি) কাজ থেকে নিদৃষ্ট পরিমান টাকা কেটে রাখেন। যে আগে টাকা দিবেন তার ফাইল আগে সাক্ষর করা হয়। এ নিয়ে মেম্বার তার ওয়ার্ডের শ্রমিকের টাকার ফাইলে সাক্ষর করতে গেলে তালবাহানা শুরু করেন। অথচ তার সামনে নগদ ঘুষের টাকা দেওয়ায় অন্য দুটি ওয়ার্ডের ফাইল সাক্ষর করে ছেড়ে দেন। এ নিয়ে মাহাবুব আলম প্রতিবাদ করতে পিআইও তাকে অশ্লীল ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তার সাথে মেম্বারের াতাহাতি হয়। এ সময় মাহাবুব আলম পিআইও’র অনিয়মের কথা উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীর সামনে উপস্থাপন করলে সবাই হতবাক হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে মাহাবুব আলম বলেন, তার ওয়ার্ডের শ্রমিকরা সময় মতো কাজ করেন। মাঝে মধ্যে দুই একজন বিভিন্ন কাজের জন্য আসতে পারেনা না। পিআইও একদিনের জন্য সরোজমিন কর্মসৃজন প্রকল্পে না গিয়ে ঠিকমত লোক কাজ করে নাই বলে টাকা দাবী করে। এক পর্যায়ে আমার সামনে অন্য দুই ওয়ার্ডে ফাইল সাক্ষর করে দিলে আমি প্রতিবাদ করি। তাতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাছ শুরু করে। আমিও তাকে টাকা দিয়ে ফাইল সাক্ষর করব না বলে সরাসরি জানিয়ে দিই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিআইও শুভ্রাত দাশ বলেন, তার ওয়ার্ডে অনেক শ্রমিক কাজে যোগদান না করে উপস্থিত আছে বলে জানায়। বিষয়টি গরমিল পাওয়ায় তার ফাইল আটক করা হয়। তাতে সামান্য বাক্য বিনিময় হয় হাতাহাতি হয়নি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।