Home » Uncategorized » সমুদ্র অর্থনীতি ঃ সম্ভাবনার সোনালী দিগন্তে কক্সবাজার

সমুদ্র অর্থনীতি ঃ সম্ভাবনার সোনালী দিগন্তে কক্সবাজার

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

আতিকুর রহমান মানিক, কক্সবাজার ::

বিশাল সমুদ্র উপকূল অধ্যুষিত বাংলাদেশে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে সমুদ্র অর্থনীতি। কক্সবাজার জেলা ও বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন মিয়ানমার এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা নির্ধারিত হওয়ার পর পর্যটন জেলা কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিধি বেড়ে গেছে। পর্যটন শিল্পের বিকাশ, লবণ-মৎস্য-শুঁটকি উৎপাদন ও কয়লা বিদ্যুৎ ও প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরসহ অন্যান্য প্রকল্প কক্সবাজারকে অপার সম্ভাবনার সোনালী দিগন্তের পাণে হাতছানী দিচ্ছে। এ অবস্থায় নতুন বেশ কিছু উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সমুদ্রে (বাংলাদেশ অংশে) কী পরিমাণ মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ, নৌ চলাচলসহ অন্যান্য কী ধরনের অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে ১৯টি মন্ত্রণালয়। এদিকে সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে ৫টি নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এর মধ্যে সমুদ্র অর্থনীতির বিষয়ে নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা দ্রুত পাঠাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্রসীমা এলাকায় সমন্বিত সার্ভে ও তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পর্কে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈতক- কক্সবাজার। এই সমুদ্র সৈকতকে ঘিরে পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে পারলে গোটা বাংলাদেশই বদলে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার, মহেশখালী সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা সোনাদিয়া, প্রবাল দ্বীপ সেন্টর্মাটিন ও সংলগ্ন ছেড়া দিয়াকে আর্কষণীয় করে তুলতে পারলে এ অঞ্চলে বিদেশি পর্যটকের ঢল নামবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১৬০ কোটি। পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে এই বিপুলসংখ্যক পর্যটকের প্রায় ৭৩ শতাংশ ভ্রমণ করেন এশিয়ার দেশগুলোতে। এদেরকে বাংলাদেশমূখী করতে পারলে পর্যটন অর্থনীতিতে বিপ্লব সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও বিশ্ব পর্যটন সংস্থার তথ্যমতে, ২০১৮ সালের মধ্যে এ শিল্প হতে ২৯ কোটি ৭০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে অবদান রাখবে ১০.৫ ভাগ। দেশের একমাত্র লবণ উৎপাদনকারী জেলা কক্সবাজারে উৎপাদিত লবণ দিয়ে সারা দেশের লবণের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী-কতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলার প্রায় ৭০ হাজার একর উপকূলীয় জমিতে প্রতি বছর নভেম্বর-মে মাস পর্যন্ত সমুদ্রের লোনা পানিকে আটকে সূর্যের তাপ ব্যবহার করে প্রতিবছর প্রায় ১৮ লাখ টন অপরিশোধিত লবণ উৎপাদন করা হচ্ছে। সনাতনী চাষ ব্যবস্থা বদলে এ লবণ চাষে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে লবণ বিদেশেও রফতানি করা সম্ভব বলেও মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। লবণ উৎপাদন মৌসুম শেষে প্রতি বছর মে-জুন উপরোক্ত উপজেলাগুলোর সমুদ্র উপকূলীয় একই জমিতে চাষ হচ্ছে বাগদা চিংড়ি ও অন্যান্য প্রজাতির মাছ। এখানে উৎপাদিত হিমায়িত চিংড়ি ও মৎস্যপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। কক্সবাজার অঞ্চলে সমুদ্রের ঢেউ ও জোয়ার ভাটাকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষেশজ্ঞরা বলেন, বিশ্বের অনেক দেশই সমুদ্রের জোয়ারভাটা বা ঢেউকে ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ভারত সমুদ্রের ঢেউকে ব্যবহার করে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ভারতে মোট ২ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে সমুদ্রের ঢেউ এবং বাতাস ব্যবহার করে। আমাদের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে সমুদ্র নানাভাবে সহায়তা করতে পারে। আর এর সূচনা হতে পারে কক্সবাজার থেকেই। অন্যদিকে, সমুদ্র অর্থনীতি বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করতে প্রস্তাব দিয়েছে চীন। অবশ্য এরই মধ্যে ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও হয়েছে। আগ্রহ রয়েছে জাপানেরও। এছাড়া হাতে নেওয়া হয়েছে মহেশখালীর সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজ। মহেশখালীর মাতার বাড়ী ও চকরিয়ার পেকুয়ায় সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। সব মিলিয়ে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে ব্লু ওসান ইকোনমি বা নীল সমুদ্র অর্থনীতি বা সংক্ষেপে সমুদ্র অর্থনীতি।

এই সমুদ্র অর্থনীতি কার্যকর করতে ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি), মালয়েশিয়া সরকার এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে মালয়েশিয়া থেকে একটি জাহাজ নির্মাণ করে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জাহাজটি দৈর্ঘ্যে ৩৮ মিটার এবং ওজন হবে ১ হাজার ৫০০ টন। জাহাজটি মার্চ মাসেই বাংলাদেশে এসে পৌঁছবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাউসার আহমেদ বলেন, আগামী মার্চের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে মীন অনুসন্ধানী নামে একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এটি আসলে আমাদের সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ কি পরিমাণ আছে তা জরিপ করা সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, সমুদ্র অর্থনীতিকে কার্যকর ও ফলপ্রসু করতে হলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।

এদিকে, সমুদ্র অর্থনীতিকে উজ্জীবিত করতে সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্যকে ব্যবহার করে কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন এবং কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পকে আরো বিকশিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে রয়েছে ১২০ কিলোমিটারের বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেভ আওয়ার সি’র তথ্য অনুযায়ি, সমুদ্র থেকে মাছ ধরে শুধু বিদেশে রফতানি করেই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব। এ ছাড়া মাছ থেকে খাবার, মাছের তেল দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, সস, চিটোসান তৈরি করা সম্ভব, যাতে নতুন ধরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি তা বিদেশে রফতানি করেও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল হক বলেন, শুধু সামদ্রিক মাছ ও শৈবাল রফতানী করে বাংলাদেশ বছরে এক বিলিয়ন ডলারের সম পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারে। এ মুহূর্তে দরকার সমুদ্রসম্পদের জরিপ করে বের করা সেখানে কী কী সম্পদ কত পরিমাণ আছে। এরপর এ সম্পদ কিভাবে কাজে লাগনো যাবে তা ঠিক করা। তিনি বলেন, আমাদের সমুদ্রে দুই ধরণের সম্পদ রয়েছে। একটি হচ্ছে প্রাণীজ সম্পদ অন্যটি হচ্ছে খনিজ সম্পদ। তবে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, আমাদের সমুদ্রে কি পরিমাণ সম্পদ রয়েছে তা এখনও জরিপ করা সম্ভব হয়নি।

সেভ আওয়ার সি’র গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিশ্বে ব্যবহৃত মোট ম্যাগনেসিয়ামের ৫০ শতাংশই আসে সামুদ্রিক উৎস থেকে। সমুদ্র থেকে আহরিত ম্যাগনেসিয়াম লবণ এয়ারক্রাফট নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া পটাশিয়াম লবণ সার ও নানা ধরনের রসায়ন শিল্পে ব্যবহার করা হয়। ওষুধ তৈরিতে ব্রোমিন এবং ওয়াল বোর্ড নির্মাণে জিপসাম ব্যবহৃত হয়। সোডিয়াম ক্লোরাইড খাবার লবণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। সমুদ্র থেকে জীবনরক্ষাকারী নানা ধরনের ওষুধ পেতে পারি। এ পর্যন্ত ১০ হাজার কম্পাউন্ড সমুদ্র থেকে পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষকরা মনে করছেন, আগামী প্রজন্মের ওষুধের জোগান আসবে সমুদ্র থেকেই।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ি, বাংলাদেশের প্রায় ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আমদানি-রফতানি পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ২৬০০ বাণিজ্যিক জাহাজ চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দরের মাধ্যমে আনা-নেয়া করে। ২০০৮ সালে বেসরকারি মালিকানায় বাংলাদেশি সমুদ্রগামী বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা ছিল মাত্র ২৬টি। কিন্তু সমুদ্র পরিবহনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এখন তা ৭০-এ দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আমদানি-রফতানিতে দেশীয় জাহাজের সংখ্যা বাড়লে এ খাতে বড় ধরনের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন খাতে ২০০৮ সালে রেজিস্ট্রি করা জাহাজ ছিল চার হাজার। এখন যা নয় হাজারে পৌঁছেছে।

সেভ আওয়ার সি’র তথ্য অনুযায়ি, পণ্য আমদানি-রফতানিতে বাংলাদেশি জাহাজ যুক্ত হওয়ায় দেশে গড়ে উঠেছে শিপিং এজেন্সি, ফ্রেইট-ফরোয়ার্ডিং, ব্যাংক-বীমা খাত। এ খাতে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বেসরকারী এই প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে ২৫০ জাতের মিঠা পানির মাছ এর বিপরীতে সাগরে রয়েছে অন্তত ৪৭৫ প্রজাতির মাছ। বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে প্রতিবছর ৮ মিলিয়ন টন মাছ ধরা পড়ে। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৭০ মিলিয়ন টন মাছ বাংলাদেশের মৎস্যজীবীরা আহরণ করে। যার সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৩০ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ি, সারা দেশে মোট মাছের উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৩৩ লাখ মেট্রিক টন। এ পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত কিছু জরিপ থেকে জানা যায়, নানা প্রজাতির মূল্যবান মাছ ছাড়াও সমুদ্রসীমায় নানা ধরনের প্রবাল, গুল্মজাতীয় প্রাণী, ৩৫ প্রজাতির চিংড়ি, তিন প্রজাতির লবস্টার, ২০ প্রজাতির কাঁকড়া এবং ৩০০ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত, সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করতে ২০১৪ সালের ২০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে ১৮টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানতে ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সমুদ্র সম্পদ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক কোর্স শুরু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্সের সচিবের সঙ্গে পরামর্শ করে পরিবেশ ও বন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং প্রবাসীকণ্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, অর্জিত সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা রক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জিএসবি, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি সমন্বয়ে পৃথক সভা করার কথাও বলা হয়েছে।

এদিকে আঞ্চলিক অর্থনীতির উন্নয়নে সমুদ্র অর্থনীতি বা ‘ব্লু ইকোনোমি’ বাস্তবায়নে জাতীয়, উপ-আঞ্চলিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ফলপ্রসূ নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সম্প্রতি রাজধানীতে ইন্ডিয়ান ওশান নেভাল সিম্পোজিয়ামের (আইওএনএস)

পঞ্চম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, “সমুদ্র সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে ‘ব্লু ইকোনমি’ কার্যকর বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশি রাষ্ট্রাধীন সমুদ্র (টেরিটোরিয়াল সি), ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চবিতে ফক্সি পরীক্ষায় ভর্তি, মহেশখালীর শিক্ষার্থী আটক

It's only fair to share...32100চবি সংবাদদাতা :: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সির অভিযোগে মোহাব্বত ...