Home » টেকনাফ » টেকনাফে গোপন বৈঠকের সময় ১২ শিবিরকর্মী আটক

টেকনাফে গোপন বৈঠকের সময় ১২ শিবিরকর্মী আটক

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

টেকনাফ প্রতিনিধি ::

টেকনাফে গোপন বৈঠক চলাকালে লিফলেট, চেকবই ও স্মার্ট মোবাইলসহ ১২ শিবির কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকাল ৪ টার সময় হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার এলকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার ইমতিয়াজ উদ্দিন(১৭), মোঃ নাছির উদ্দিন (২৪), মোঃ সাদ্দাম হোসেন (২২),রবিউল আলম (২৪) মোঃ সরোয়ার (২০),নুরুল আজিজ (২atok০),আব্দুর রহমান (১৮), মনিরুল মোস্তফা (২০), নুরুল আলম (১৯), মোঃ ইউনুছ (১৯), ওয়াহিদুল ইসলাম (১৯) ও আব্দুর রহিম (১৮) বলে জানা যায়।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাইন উদ্দিন খান জানান, শিবিরকর্মীরা কোনো নাশকতার উদ্দেশ্যে হ্নীলার মৌলভীবাজার এলাকায় গোপন বৈঠক করছে এ সংবাদ পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক এসআই আব্দুর রহিম ও এসআই সাইফুল ইসলামসহ একদল পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে এদেরকে আটক করে থানা নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৩ মার্চ বাংলাদেশ হেফাজত ইসলামের আমীর আল্লামা মাওলানা আহমদ শফি হ্নীলা হোয়াকিয়া পাড়া মরহুম মাওলানা ইসহাক প্রকাশ সদর সাহেব হুজুর এর স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ইসলামী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। একে কেন্দ্র করে বড়ধরনের নাশকতা ঘটনার উদ্দেশ্যে শিবিরকর্মীদের আগাম বৈঠক বলে ধারণা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।