Home » পার্বত্য জেলা » বান্দরবানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা নির্ধারণে জরিপ কাজ শুরু

বান্দরবানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা নির্ধারণে জরিপ কাজ শুরু

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

bandarban_1এনামুল হক কাশেমী ।।

বান্দরবানে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি হবে তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে প্রথম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার সদর উপজেলার সুয়ালক এলাকায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যে জায়গা নির্ধারণী জরিপ কাজও শুরু করা হয়েছে। সদর উপজেলা এসি ল্যান্ড নুরেজান্নাত রুমীর নেতৃত্বে জায়গা নির্ধারণ ও জরিপ টিম কাজের সূচনা করেছে।

বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় নামের এ উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে এক সমঝোতা স্মারক ও লগো উন্মোচন উপলক্ষে সভাও হয়েছে। জেলা শহরের একটি রিসোর্টে এক সভায় বান্দরবান শিক্ষা ও উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি ও পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা’র বিশেষ উদ্যোগ এবং সহায়তায় বান্দরবানের ইতিহাসে এ প্রথমবারে একটি উচ্চ বিদ্যাপিঠ স্থাপনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে জানিয়েছেন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি। পৌর মেয়র মো.ইসলাম বেবী, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মহসিন চৌধুরী,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড.ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হারুণ উর রশিদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ, পরিষদ সদস্য কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা,লক্ষীপদ দাস, মোজাম্মেল হক বাহাদুর তিংতিংম্যা,ফাতেমা পারুল, মোস্তফা কামাল, পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল আবছার প্রমুখ ।পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে বান্দরবানের শিক্ষার্থীরা উচ্চতর শিক্ষার নিশ্চিত সুযোগ পাবে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন ধরণের রাজনীতি চলবে না, রাজনীতি করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে করতে হবে।বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো উন্মোচন করা করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর। জায়গা নির্ধারতি হওয়ার পর পরই বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, ক্যাম্পাস এবং অন্যান্য ভবনসমুহের নির্মাণ কাজও শুরু করা হবে।

আগামী ২০১৭১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বান্দরবানেই এই প্রথম একটি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করার প্রক্রিয়া শুরু হল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।