Home » কক্সবাজার » ঈদগাঁওয়ে লোকালয়ে ইটভাটা: পুড়ছে কাঠ কাঠছে পাহাড়

ঈদগাঁওয়ে লোকালয়ে ইটভাটা: পুড়ছে কাঠ কাঠছে পাহাড়

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

03
সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি::

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওয়ে সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লোকালয়ে গড়ে উঠা ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ। মৌসুমের শুরুতে বনজ সম্পদ ও পাহাড় কাটা দুটোই সমান তালে চলছে। পরিবেশ সংশিষ্টদের অভিযোগ প্রতিবছর এসব ইটভাটায় বনজ সম্পদ পুড়ানোর পাশাপাশি পাহাড় ও ফসলী জমির টপ সয়েল কেটে মাটি সংগ্রহ করে ইট তৈরি করার ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন বিভাগ ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের লোকজন এসব ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা নিয়ে থাকেন। এসব দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজশে এ অপকর্ম চালাচ্ছে ইটভাটার মালিকরা।

স্থানীয়দের দেয়া তথ্য মতে জানা যায়, ঈদগাঁওয়ে ছ্টো বড় ৯টি ইটভাটা রয়েছে। তৎমধ্যে ইসলামাবাদ তেতুলতলীতে ১টি, ঢালার ধোয়ার ১টি, বোয়াল খালীতে ১টি, ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনায় ১টি, গরু বাজারে ১টি, আলমাছিয়া গেইটে ১টি, জালালাবাদ ফরাজি পাড়ায় ১টি, খামার পাড়ায় ১টি, ও চৌফলদন্ডি কইজ্যার দোকানে  ১টি ইটভাটা রয়েছে।

এসব ইটভাটার মধ্যে অনেক ভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। থাকলেও তা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে যেন তেন অবস্থায়। সরকার এসব ইটভাটাকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ বান্ধক হাওয়াই ঝিকঝিকে রূপান্তরের নির্দেশ দিলেও অনেক ইটভাটা এখনো পর্যন্ত ড্রাম চিমনী দিয়ে চলিয়ে যাচ্ছে তাদের ব্যবসায়।

সরেজমিন বেশ ক’টি ইটভাটা ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ইটভাটায় বনজ সম্পদ পুড়ানো সহ জমির টপসয়েল কেটে মুজুদ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এসব ইটভাটায় বনজ সম্পদ পুড়ানো, পাহাড় ও জমির টপসয়েল কাটা বন্ধ করা না হলে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঈদগাওর এক ইট ভাটার মালিক জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিপত্র অনুযায়ী সব ক’টি ইটভাটা অর্ধকোটি টাকা খরচ করে ঝিকঝিকে হাওয়াই পরিবেশ বান্ধক রূপান্তর করা হয়েছে। যে গুলো এখনো হয়নি তারা টাকার অভাবে করতে পারছে না।

এদিকে লোকালয়ে গড়ে উঠা ইটভাটার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা ফুঁসে উঠেছে। তাদের অভিযোগএসব ইটভাটার কারনে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা শীঘ্রই পরিবেশ অধিদপ্তরের নিকট অভিযোগ দেবেন বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

৫৭-র চেয়ে ৩২ বড়ই থাকল, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস

It's only fair to share...000নিজস্ব প্রতিবেদক ::  সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তি থাকলেও ...