Home » কক্সবাজার » ঈদগাঁওতে গণসংবর্ধনার জবাবে কউক চেয়ারম্যান ফোরকান সবার সহযোগিতায় কক্সবাজারকে পরিকল্পিত ভাবে সাজানো সম্ভব

ঈদগাঁওতে গণসংবর্ধনার জবাবে কউক চেয়ারম্যান ফোরকান সবার সহযোগিতায় কক্সবাজারকে পরিকল্পিত ভাবে সাজানো সম্ভব

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

com

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ওয়াদা রক্ষাকারি উল্লেখ করে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যেটা বলেন সেটা করেন। কক্সবাজারকে তিনি এশিয়ার অন্যতম পর্যটনের তীর্থস্থান হিসেবে গড়তে চান। এ কারণেই কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গড়ন ও বিশ্বাস করে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমিও তাঁর অনুসারী। তাঁর ইচ্ছে অনুসারে কক্সবাজারকে পরিকল্পিত ভাবে সাজানো হবে। এটি বাস্তবায়ন করতে গেয়ে একতা দরকার। সংবর্ধনায় সবার স্বত:স্ফূর্ত উপস্থিতি যে ভালবাসার বহি:প্রকাশ ঘটেছে, তা অব্যাহত থাকলে সাজানো কক্সবাজার গড়া সময়ের ব্যাপার মাত্র

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে আয়োজিত গণসংবর্ধনার জবাবে কউক চেয়ারম্যান ও ঈদগাঁও’র কৃতি সন্তান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ এসব কথা বলেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র ৬ ইউনিয়ন (ঈদগাঁও, জালালাবাদ, পোকখালী, ইসলামাবাদ, ইসলামপুর ও চৌফলদন্ডী) যৌথভাবে এ গণ সংবর্ধনার আয়োজন করে।

সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মাস্টার মোজাম্মেল হক ফরাজীর সভাপতিত্বে এবং জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান রাশেদ ও জেলা যুবলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির হিমুর যৌথ সঞ্চালনায় লোকারণ্যে পরিণত হওয়া গণসংবর্ধণায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ ও সদ্য বিদায়ী কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বর্তমান প্রশাসক প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন কক্সবাজার সদর আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দরিয়ানগরের ভূমিপুত্র, একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতিসত্তার কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম রহিম উল্লাহ, রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজুল আলম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু তালেব, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম মাদু, উপজেলা স্বেচ্চাসেবকলীগ সভাপতি এড. একরামুল হুদা, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম।

বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক রাজীবুল হক চৌধুরী রিকো, ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগ আহবায়ক আমজাদ হোসেন ছোটন রাজা এবং ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা বিশাদ।

এসময় বক্তারা বলেন, সরকার কক্সবাজরে নানা উন্নয়নযজ্ঞ চলমান রেখেছে। রেললাইন, বিদ্যুৎ প্রকল্প, স্টেডিয়ামসহ উন্নীত করা হচ্ছে সড়ক যোগাযোগ। সন্ত্রাস ও দূর্নীতি এড়িয়ে কউক চেয়ারম্যানকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সহযোগিতা দিলে কক্সবাজারের সর্বত্র উন্নয়নের বিল্পব ঘটানো সম্ভব। কক্সবাজারের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে আগামীতে আরো ১০ বছরের জন্য ফোরকান আহমদকে স্বপদে বহাল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান তারা।

উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের উপদেষ্টা মমতাজ আহমদ (জাপান), কউক সদস্য ডা. সাইফুদ্দীন ফরাজী, প্রকৌশলী বদিউল আলম, এড. প্রতিভা দাশ, এড. আমজাদ হোসেন, জেলা আ’লীগ নেতা অধ্যাপক ফিরোজ আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা মাস্টার নুরুল আজিম, ঈদগাহ্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খুরশীদুল জন্নাত, আওয়ামীলীগ মনজুরুল হক চৌধুরী, শামিম শহিদ, ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. খায়রুজ্জামান, ঈদগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহম্মদ রফিকুল ইসলাম, সদর আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম আমির, সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুর রহমান আজাদ, সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন পুতু, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক, আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এমইউপি, চৌফলদন্ডী ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াজ করিম বাবুল, আ’লীগ সভাপতি এহেছানুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মনির, ইসলামপুর চেয়ারম্যান আবুল কালাম, সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল কাদের, সাবেক চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি মনজুর আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান চৌধুরী, পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ ও আ’লীগ সভাপতি মোজাহের আহমদ, ঈদগাঁও ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক তারেক আজিজ, জালালাবাদ আ’লীগ সভাপতি সেলিম মোর্শেদ ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক এম. মমতাজুল ইসলাম খান, আওয়ামীলীগ নেতা আজিজুল হক এবং ঈদগাঁও সাংগঠনক উপজেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি রাশেদ উদ্দিন রাশেলসহ আওয়ামীলীগ সহযোগী সংগঠন সমুহের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নেচে মিছিলসহকারে সংবর্ধণায় যোগদেন।

এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথিকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চট্রগ্রাম জেলায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ৩১২টি ইটভাটা থেকে কর পাচ্ছে না সরকার

It's only fair to share...000অনলাইন ডেস্ক, চট্রগ্রাম :: পরিবেশ আইন মেনেই ইটভাটার লাইসেন্স নবায়নে উৎস কর, লাইসেন্স ফি ও ভ্যাটসহ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিতেহয় সরকারকে। চট্টগ্রামের ৩১২ অবৈধ ইটভাটা থেকে এই তিন খাতে কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। এতেসরকার প্রতি বছর ১৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। তবে বৈধ–অবৈধ ইটভাটা থেকে ৬০ লাখটাকার ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ৪০৮টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে বৈধ ইটভাটা হচ্ছে ৯৬টি। অবৈধ ইটভাটা৩১২টি। অবৈধ ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের কর পাচ্ছে না। তবে কর না পেলেও সকল ইটভাটা থেকেভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায় করা হয়। চলতি মৌসুমে (২০১৭–১৮) ইটভাটা থেকে ভূমি উন্নয়ন করেরলক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার বিপরীতে (গত জুন পর্যন্ত) খাজনা আদায় করা হয়েছে৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। যা গত মৌসুমের চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেশি। জেলা রাজস্ব সভায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার মধ্যে উচ্ছেদ মামলা রয়েছে একশটির বিরুদ্ধে। ২০টিতেনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৩০টিতে আদালতের স্থগিত মামলা রয়েছে। ৩০টি মামলার নোটিস জারিকরা হয়েছে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারীকমিশনারকে (ভূমি) জেলার মাসিক রাজস্ব সভায় অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের খামখেয়ালি ওউদাসীনতায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশবাদীদের। প্রশাসন ও পরিবেশঅধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ইটভাটার কার্যক্রম চলে আসছে। বিভিন্নঅনুষ্ঠানের নামে উপজেলা প্রশাসন ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। ইটভাটার লাইসেন্স গ্রহণে জেলা প্রশাসনকে উৎস কর ৪৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ফি পাঁচশ টাকা এবং পরিবেশঅধিদপ্তরকে ১২ হাজার পাঁচশত টাকার সাথে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। ভ্যাটসহ ১৪,৩৭৫ টাকাদিয়ে পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হয়। ইট পোড়াতে প্রাথমিকভাবে এই দুই সংস্থাকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা গুণে লাইসেন্সগ্রহণ করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে অবৈধ ৩১২টি ইটভাটা থেকে এই ধরণের কোনো কর পাচ্ছে না সরকার। বছরেরপর বছর অবৈধভাবে চলে আসছে এসব ইটভাটা। এজন্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে দুষছেনপরিবেশবাদীরা। অপরদিকে, উৎপাদিত ইটপ্রতি আয়করে চলছে শুভংকরের ফাঁকি। এক–চতুর্থাংশ ইট উৎপাদনদেখিয়ে আয়কর প্রদান করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। একাধিক ইটভাটার ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা যায়, একটি ট্রাকে আড়াই থেকে তিন হাজার ইট পরিবহনকরা হয়। প্রতি হাজার ইট পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি দেখিয়ে আয়কর চালান দেয়া হয়। এছাড়াএকটি গাড়ি একাধিক ট্রিপ গাড়ি চালালেও দিনে শুধুমাত্র একটি চালান নিয়ে ইট পরিবহন করা হয়। এছাড়াওগাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার ইট পরিবহন দেখিয়ে ভ্যাট চালান তৈরি করা হয়। এছাড়াও একটি ইটভাটায়এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০–৫০ লাখ ইট পোড়ানো হয়। কিন্তু আয়কর বিভাগকে দেখানো হয় উৎপাদিত ইটের এক–চতুর্থাংশ। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চলে আসছে। অর্থাৎ শহরতলীউপজেলাতে ইটভাটা প্রতি ৬–৭ লাখ টাকা আর সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়াসহ অন্যান্য উপজেলার ইটভাটাগুলোর ক্ষেত্রে৪–৫ লাখ টাকা ‘মুঠো কর’ প্রথা চালু রয়েছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বোয়ালখালী উপজেলার দুটি ইটভাটার ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারের সাথে কথা বলে আয়করে এইশুভংকরের ফাঁকির তথ্যটি পাওয়া যায়। একটি ইটভাটার ম্যানেজার জানান, এক চালানে পুরোদিন ইট পরিবহনকরা হয়। কিন্তু শহরে পরিবহনের ক্ষেত্রে আলাদা ভ্যাট চালান দিতে হয়। জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় জুন মাসের খাজনা আদায়ের তথ্যে দেখা যায়, চান্দগাঁও থানা এলাকার ইটভাটাথেকে খাজনা আদায় হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪শ টাকা। মিরসরাই উপজেলায় ২ লাখ ২৪,৮১২ টাকা, সীতাকু– উপজেলায় ৭ লাখ ৪৯,২৯৯ টাকা, সন্দ্বীপে ৫ হাজার একশ টাকা, ফটিকছড়ি উপজেলায় সাত লাখ ৪৯,১৪০ টাকা, হাটহাজারী উপজেলায় ৯ লাখ ১৫,৭৫০ টাকা, রাউজান উপজেলায় ২ লাখ ৮০,২১০ টাকা, রাঙ্গুনীয়া উপজেলায় ৪লাখ ১০,৫৫০ টাকা, বোয়ালখালী উপজেলায় ৮৪,৪০০ টাকা, পটিয়া উপজেলায় ৪২,৯৭৬ টাকা, আনোয়ারাউপজেলায় ১৮,৪৮০ টাকা, চন্দনাইশ উপজেলায় ৪ লাখ ৪১,৩৪০ টাকা, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০ লাখ২৬,৪৩৫ টাকা, লোহাগাড়া উপজেলায় ৭ লাখ ৫০,৫০৩ টাকা, বাঁশখালী উপজেলায় ৯৮,৮০৮ টাকা আদায় করাহয়েছে। মোট আদায় করা হয়েছে ৬০ লাখ ১,২০৩ টাকা। ...