Home » দেশ-বিদেশ » টিভি উপস্থাপিকা ইরিকো টোকিওর প্রথম নারী গভর্নর

টিভি উপস্থাপিকা ইরিকো টোকিওর প্রথম নারী গভর্নর

It's only fair to share...Share on Facebook268Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

erieco_1জাপানের রাজধানী টোকিওর প্রথম নারী গভর্নর নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন ইরিকো কোকে। ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর সমর্থক ইরিকো কোকে প্রথম জীবনে ছিলেন টিভি উপস্থাপিকা। ২০০৭ সালের সংসদের উচ্চকক্ষের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর কোকে শিনজো আবে সরকারের পরিবেশমন্ত্রী হিসেবে জাপানের সংসদে প্রথম নারী মন্ত্রী হন। আর এবার গর্ভনরের ক্ষমতায় এসে তিনি আরও একবার তার জনপ্রিয়তা প্রমাণ করলেন।

রবিবার সারাদিন ১১ লাখ ভোটারের ভোট গ্রহণ শেষে স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮ টায় ফল ঘোষণা করা হয়েছে।

রবিবার নির্বাচনে ইরিকো কোকে ছাড়াও আরও ২০ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতা করেছেন। ক্ষমতাসীন জোটের পক্ষ থেকে প্রতিযোগিতায় ছিলেন সাবেক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী হিরোয়া মাসুদা। এছাড়া, ইরিকোর কোকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক সুনতারো তরিগো, যিনি প্রধান বিরোধীদল ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষে নির্বাচনে লড়েন।

নির্বাচন কমিশন জানায়, টোকিও গভর্নর নির্বাচনে এবারই ব্যাপক সংখ্যক প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজয়ের পর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান কোকে

১৭ দিন প্রচারণায় প্রার্থীদের ভোটার আকর্ষণের লক্ষ্য ছিল ২০২০ সালে টোকিও অলিম্পিক শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার অঙ্গীকার। এছাড়া, বয়স্কদের আরও বেশি সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা।

কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করা ৬৪ ইরিকো কোকে ১৯৫২ সালে দেশটির জাপানের কোবে প্রদেশে জন্ম গ্রহণ করেন।

নির্বাচিত হওয়ার পর কোকে টোকিওতে সাংবাদিকদের বলেন, এটি সত্যিই আনন্দের দিন। নারী নেতৃত্বকে টোকিওবাসী যে এভাবে গ্রহণ করবে তা আমি ভাবতে পারিনি। আমাকে নির্বাচিত করায় সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

জনগণের প্রতি দায়িত্ব যাতে সঠিকভাবে পালন করতে পারেন সেজন্য সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

তার এ বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে তার নেতৃত্বে নারীর অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি এবং দলকে আরো শক্তিশালী করার নিয়ামক হিসেবে দেখছেন।

গত ১৫ জুন টোকিওর গভর্নর ইয়চি মাসুজুই বিদেশ ভ্রমণে বিধি বহিঃর্ভূতভাবে অর্থব্যয়ের অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেন। ২০১৪ সালে টোকিও গভর্নর (মেয়র) হওয়ার পর ইয়চি মাসুজুই সরকারি কোষাগার থেকে ২০০ মিলিয়ন ইয়েন ব্যয় করে ৯ বার বিদেশ ভ্রমণ করেন।

আর এ নিয়ে গত এপ্রিলে তিনি সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন। সোমবার সংসদে এ নিয়ে অনাস্থা জ্ঞাপন করেন সাত সংসদ সদস্য। যেখানে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা তার পদত্যাগের জোরালো দাবি তোলার পর তিনি পদত্যাগ করেন। আর ওই পদত্যাগের পরই কার্যত টোকিও শহরের প্রশাসনের শীর্ষ পদটি শূন্য হয়।

সূত্র: এএফপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।