Home » Uncategorized » চকরিয়ায় দু শতাধিক অবৈধ ভাসমান দোকান উচ্ছেদ : ১৩জনকে আটক হলেও পুনরায় বসে গেছে হকাররা

চকরিয়ায় দু শতাধিক অবৈধ ভাসমান দোকান উচ্ছেদ : ১৩জনকে আটক হলেও পুনরায় বসে গেছে হকাররা

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

13394126_288679721466828_7991456397712225228_nচকরিয়া অফিস:

চকরিয়া পৌরশহরের মহাসড়কের অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার অপরাধে দু শতাধিক বিভিন্ন ধরনের ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আজ  ৫মে সকাল দশটা থেকে বিকাল দুইটা পর্যন্ত পৌরশহরের চিরিঙ্গা বাসষ্টেশনে এবং সোসাইটিতে এসব অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে । চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো: সাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় বিভিন্ন অপরাধে ১৩জন ব্যবসায়ি ও গাড়ির চালককে গ্রেফতার করেছে।

জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার পৌরশহর চিরিঙ্গায় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের-ফুটপাত দখল করে টং দোকান করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছে শতশত লোক। এসব দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে স্থানীয় ফল ব্যবসায়ী সমিতি ও হকার্স সমিতির প্রভাবশালী মহল ও চকরিয়া পৌরসভার কিছু অসাধু কর্মকর্তা। তাদের ছত্রচ্ছায়ায় এসব ফুটপাত দখল হয়ে থাকায় পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হতো। অবশেষে স্থানীয় জনসাধারণের অনুরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই উচ্ছেদ অভিযানে অর্ধশতাধিক শ্রমিক নিয়ে পৌরশহরের দু শতাধিক কাপড় ও ফলের ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়। সড়কের ওপর অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করার দায়ে দুইটি গাড়ি আটক করেছে। এসময় ১৩জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ভাম্যমান পুলিশ। আটককৃতদের বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো: সাহেদুল ইসলাম ও চকরিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে ভ্রাম্যমান উচ্ছেদ অভিযান শেষ করে অফিসাররা চলে যাওয়ার পর পরই পুনরায় অনেক ফলের দোকান বসে গেছে এবং প্রতিদিনের ন্যায় ফল ব্যবসায়ী সমিতির লোকজনকে যথারীতি প্রতিটি দোকান থেকে চাদাঁ আদায় করতে দেখা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।