Home » জাতীয় » ১২৯ জনের প্রাণ নিয়ে শেষ হলো ইউপি নির্বাচন(ভিডিওসহ)

১২৯ জনের প্রাণ নিয়ে শেষ হলো ইউপি নির্বাচন(ভিডিওসহ)

It's only fair to share...Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

111-1-1অনলাইন ডেস্ক ::: 

তিন মাসব্যাপি ইউপি নির্বাচন শেষ হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই শুরু হয় সংঘর্ষ ও প্রাণহানি। এরপর নির্বাচনে হয় ব্যাপক হানাহনি। এ নির্বাচনে সহিংসতা, জাল ভোট, কেন্দ্র দখল, সংঘর্ষ, ব্যালট পেপার ছিনতাই, গুলিসহ হতাহতের ঘটনা ঘটছে। গত ৩ জুন পর্যন্ত নিহত হয়েছিল ১২৬ জন। শনিবার শেষ ধাপের নির্বাচনে ৩ জন নিহত হন। ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচন শেষে নিহত হয়েছে ১২৯ জন। আহত হয়েছে কয়েক হাজার।
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সংঘর্ষমূলক আচরণ দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভিতরে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে। এর সাথে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।’ শনিবার সকালে কুষ্টিয়ায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
ফেনীর সোনাগাজীতে কেন্দ্র দখল করে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেয়ার সময় গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে চর চান্দিয়া ইউনিয়নের চরভৈরব কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ফেনীর সোনাগাজীতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে কেন্দ্র দখল নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জয়নাল আবদীন জানান, ভোট চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেন মিলন ও বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী শামসুদ্দিন খোকনের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. সুমন নিহত এবং আরও ৮ জন আহত হন। তাদের সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।
নোয়াখালী সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ভোলানগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় আরাফাত নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।
চাঁদপুর : চাঁদপুরের মতলব উত্তরে কলাকান্দা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শেষ ধাপের নির্বাচনে উপজেলার হানিরপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোরগ ও ফুটবল প্রতিকের দুই মেম্বার প্রার্থীও কর্মী সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ওই কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ ৭ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়েছে।
সাতকানিয়া : সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের ২ নম্বর কেন্দ্রে প্রতিপক্ষে হামলায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী রমজান আলী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রমজান আলী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মারুফের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
এদিকে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন থেকে অস্ত্রসহ ইমরান আহমেদ (২৭) নামে এক যুকবকে আটক করেছে পুলিশ। সাতকানিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, প্রতিপক্ষের গুলিতে কাঞ্চনা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থী রমজান আলী আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। সাতকানিয়া থানার ওসি ফরিদউদ্দিন খন্দকার জানান, উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন থেকে পিস্তলসহ এক যুবককে আটক করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সদস্যরা।
সাভার : সাভার উপজেলায় বিরুলিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর হাইস্কুল ও বিরুলিয়া বেগুনবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিএনপির পোলিং এজন্টেদের বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা। এ নিয়ে দুইটি কেন্দ্রে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সকাল ৮টার দিকে ভোট শুরুর পরই এ ঘটনা ঘটেছে।
বগুড়া: বগুড়ার সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে প্রকাশ্যে জালভোট দেয়ার অভিযোগে দুই পোলিং এজেন্টকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রে সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। আটক এজেন্টরা হলেন- রেজাউল করীম রাজু (২৫) ও পিন্টু মিয়া (২৭)। তাদের বাড়ি ওই ইউনিয়নে।বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার তেলিহারা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৯নং করায়পাড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এঘটনায় ঐ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। সকাল পৌনে ১০টার দিকে পাটনিকৌটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এঘটনা ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অস্ত্রের মুখে একটি ভোটকেন্দ্র থেকে চেয়ারম্যান পদের ব্যালট ও কয়েকটি সিল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে একদল যুবক নাওঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ব্যালট ও সিল লুট করে নিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে।
এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন জানান, সোয়া ১০টার পর হঠাৎ করে ৩০/৪০ জনের একদল যুবক কেন্দ্রের সাতটি বুথে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সহকারি প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যালট (সাদা রংয়ের) ও কিছু সিল লুট করে।
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার দেহুন্দা ইউনিয়নের ভাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে একজন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেত পুলিশ ১০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। সকাল ১০টার দিকে কেন্দ্রে গোলযোগের পর ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। আহত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার মো. মজিবুর রহমানকে কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে সকাল সোয়া ১০টার দিকে জেলার ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের ভয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ফলে কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।
ময়মনসিংহ : ভোটাররা ঢোকার পর আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা চেয়ারম্যান পদের ব্যালটটি নিয়ে নিজেরাই নৌকায় ভোট দিচ্ছেন এবং তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা নৌকা মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য হচ্ছেন। শুধু সদস্যপদের জন্য ভোটাররা গোপন বুথে গিয়ে ভোট দিতে পারছেন। ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটি ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি কেন্দ্র এ ঘটনা ঘটে।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কানিহারি ইউনিয়নের ছাপনহালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকার সমর্থকরা ব্যালট পেপার ভর্তি ৬টি বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। ময়মনসিংহ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
যশোর : যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের রুদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হাসান ফিরোজ আহমেদ। এ সময় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
এদিকে চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের মোক্তারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে উত্তেজনা শুরু হলে পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের ৭টি ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ চলাকালে গতকাল সকাল ১১টার দিকে রামগঞ্জের দুটি ইউনিয়নে পৃথক দুই কেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাইয়ের সময়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাট্রা ইউনিয়নের দলটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার মমিনুল হক জানান। এসময় কেন্দ্র দখল ও ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা তাজুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৪ মাসের কারাদন্ড দেন বলে কর্তব্যরত পুলিশ জানায়।
টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দামুড়িয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ছোট ভাই খোকনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় চার জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে ঘাটাইল সদর উপজেলার ৩নং জামুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভোটকেন্দ্রে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা: কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নৌকার সমর্থকরা কেন্দ্র দখলে ব্যর্থ হয়ে ককটেল ফাটিয়ে ভোটকক্ষ থেকে সিল লুট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৮ রাউন্ড গুলি চালায়। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ঝিংলাতলী ইউনিয়নের গলিয়ারচর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
কেন্দ্রে আধিপত্য বিহমশার করতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনির হোসেনের সমর্থকদের সঙ্গে দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেনের সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে নৌকার সমর্থকরা কেন্দ্রে ১৫/২০টি ককটেল ফাটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে। এ সময় নারীসহ দুইজন ভোটার আহত হন। পরে তারা ভোট কক্ষে প্রবেশ করে ৪টি সিল লুট করে নিয়ে যায়। এই কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশের এসআই নজরুল ইসলাম জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি চালিয়েছে।
নোয়াখালী : নোয়াখালীতে সংঘর্ষ, কেন্দ্র স্থগিত আর ভোট বর্জনের ঘটনা ঘটছে। এওজবালিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী কবির হোসেন প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত হয়েছেন।
এদিকে নেয়াজপুর ইউনিয়নের ভেলানগর কেন্দ্রে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের সমর্থকদের সংঘর্ষে ১১ জন আহত হয়েছেন। ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের জেরে ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিতসহ দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মোট ৯টি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে। আহতদের নোয়াখালী জেনারেল হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চকরিয়ায় পুজা মন্ডপ পরির্দশনে পুলিশ সুপার, দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হউক

It's only fair to share...26800এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :: শারদীয় দূর্গপূজা উপলক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পুজা মন্ডপ পরির্দশন করেছেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার চিরিংগা হিন্দুপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় হরিমন্দির, পৌরসভার৪নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী কালি মন্দির ও উপজেলার ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন মন্ডপে পুজার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরির্দশনকালে জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার অনুষ্টানকে ঘিরে নিরাপদ ও সুষ্ট পরিবেশে শতভাগ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ উৎসব পালন করতে পারে সে জন্যপুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলতে। দেবী দূর্গার আগমনে অশুভ ও অপশক্তি যা আছে তা দূর হবে এদেশ থেকে এ হোক সকলের প্রত্যাশা। এ সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিনচৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, সাধারণ সম্পাদক নিলুৎপল দাশ নিলু, উপজেলাপূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক তপন কান্তি সুশীল, সদস্য সুধীর দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-ক্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া উপজেলার সভাপতি রতন বরণ দাশ, চকরিয়া সার্ব্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুজিত কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অসীম কান্তি দেরুবেল প্রমুখ। এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুজা মন্ডপ, ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।