ঢাকা,মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

জেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায পাশের হার ৮৮.৪৫ শতাংশ

কক্সবাজার প্রতিনিধি :: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গতকাল প্রকাশিত ফলাফলে জেলায় পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৪৫১ জন মেধাবী। পাসের হারে ছাত্ররা এগিয়ে থাকলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। ছাত্রদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৭২ ও ছাত্রীদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৩। ব্যবধান শূন্য দশমিক ৪৯। ছাত্ররা জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮২ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৩৬৯ জন। জিপিএ-৫ এ ব্যবধান হচ্ছে ২৮৭। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ফলাফলে বরাবরই শীর্ষ স্থান দখল করেছে কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয় থেকে ২১২ জন, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯০ জন, কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমিতে ১০৮ জন, কক্সবাজার মডেল হাইস্কুল থেকে ৩৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফলাফল ও জিপিএ-৫, এবং পাশের হারে এগিয়েছে কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করা হয়। পরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। দুপুর ১২টার পর থেকে বিভিন্ন জেলা, নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়।

জেলা প্রশাসকের শিক্ষা শাখা সূত্রে জানা যায়, জেলায় বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ ম এসএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২২ হাজার ৭১৯ জন। এরমধ্যে অংশগ্রহণ করে ২২ হাজার ৪৬৬ জন। কৃতকার্য হয়েছে ১৯ হাজার ৮৭২ জন। শতকরা পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪৫শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৪৫১ জন। অংশগ্রহণকারী মোট ১০ হাজার ২৮০ জন ছাত্রের মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯ হাজার ১২০ জন। পাসের হার ৮৮ দশমিক ৭২। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ১০৮২ জন। মোট ১২ হাজার ১৮৬ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ১০ হাজার ৭৫২ জন। পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৩। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩৬৯ জন।
বিজ্ঞান বিভাগে মোট অংশগ্রহণ করে ৪ হাজার ২২৬ জন। কৃতকার্য হয়েছে ৪ হাজার ১৩৬ জন। শতকরা পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮৭। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯৬৬ জন। মোট ২ হাজার ১৭৬ জন ছাত্রের মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২ হাজার ১৩৩ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ০২। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ৯শত ৩০ জন। মোট ২ হাজার ৫০ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৩ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৭১। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩৬ জন।
মানবিক বিভাগে মোট অংশগ্রহণ করে ১১ হাজার ৪৭৪ জন। কৃতকার্য হয়েছে ৯ হাজার ৪৮৬ জন। শতকরা পাসের হার ৮২ দশমিক ৬৭। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১শত ৩৩ জন। মোট ৪ হাজার ২০৩ জন ছাত্রের মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩ হাজার ৪১১ জন। পাসের হার ৮১ দশমিক ১৬। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ২২ জন। মোট ৭ হাজার ২৭১ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ৬ হাজার ৭৫ জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৫৫। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১শত ১১ জন।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মোট অংশগ্রহণ করে ৬ হাজার ৭৬৬ জন। কৃতকার্য হয়েছে ৬ হাজার ২৫০ জন। শতকরা পাসের হার ৯২ দশমিক ৩৭। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শত ৫২ জন। মোট ৩ হাজার ৯০১ জন ছাত্রের মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩ হাজার ৫৭৬ জন। পাসের হার ৯১ দশমিক ৬৭। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ১শত ৩০ জন। মোট ২ হাজার ৮৬৫ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৬৭৪ জন। পাসের হার ৯৩ দশমিক ৩৩। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২শত ২২ জন।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর এসএসসি/সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতি ও বন্যার কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর এ পরীক্ষা নেয়া হয়।

পাঠকের মতামত: